অতিরিক্ত রাত জাগা হতে পারে মৃত্যূর কারন।

অনেকেই আছেন অকারনে মধ্যরাত বা শেষ রাত পর্‌যন্ত অনেকেই জেগে জেগে কাজ করেন, জেগে ফোনে কথা বলেন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে পড়ে থাকেন।যা আপনার শরীরের জন্য মোটেই ভালো লক্ষন নয়।

এই রাত জাগার ফলে যে কি পরিমান ক্ষতি হয় তা হয়ত জানেননা।রাতে কাজ করলে দেহ ঘড়ির ছন্দপতন হয়।

যুক্তরাজ্যের স্লিপ রিসাচ সেন্টারে সম্প্রতি এর উপর একটি নিবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছে।যেখানে গবেষকেরা সাবধান করে জানিয়েছেন,যারা রাত জেগে থাকেন তাদের উচ্চরক্তচাপ,  হৃদরোগ ও ক্যানসারের ঝুকির সম্ভাবনা খুজে পাওয়া গেছে।

গবেষকরা আরো জানান,মানুষের শরীরের একটি ছন্দ বা দেহ ঘড়ি রয়েছে যার ছন্দ হচ্ছে রাতে ঘুম আর দিনে কাজ।রাত জাগার ফলে হরমোন পরিবর্‌তন ,দেহের তাপমাত্রায় রদবদল,মেজাজ ও মস্তিস্কের কাজকে ব্যাপক প্রভাব পড়ে।গবেষনা সংক্রান্ত নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে ”প্রসিডিংস অব দ্যা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস” সাময়ীকীতে।গবেষে্করা ২২ জন ব্যাক্তিকে নিয়ে গবেষনাটি সম্পাদন করেছেন।

অনিয়মিত ভাবে রাত জেগে কাজ করার ফলে দেহ ঘড়ির ছন্দ রক্ষাকারী জিন ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে।

গবেষকরা এই বিষয়টি ব্যাক্ষায় বলেন,একটি বাড়িতে যদি সব ঘরে ঘড়ি থাকে এবং উলটা- পাল্টা সময় দেখায় তবে ঘরের অবস্থা যা হতে পারে এক্ষেত্রে রাত জাগার ফলে দেহ ঘড়ির সেরকম তছনছ অবস্থা হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,সুস্থ থাকার জন্য প্রতিটি মানুষেরই ঘুমের প্রয়োজন।কেউ যদি টিভি দেখে বা কম্পিউটারে কাজ করে ঘুমাতে যান ,তার মস্তিস্ক উত্তেজিত থাকে।ফলে ঘুম হয়না।এতে সে ক্ষুধামন্দা,বিষন্নতা,স্নায়ু বৈ্কল্য ইত্যাদি সমস্যায় ভুগতে পারে।অনেকেই রাত জাগার জন্য চা,কফি খান যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

তাই অকারনে রাত জাগার বদ অভ্যাস পরিহার করতে হবে।সঠিক সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here