সুদানের মৃত প্রতিরক্ষামন্ত্রী’র সন্ধান।

সুদানের মৃত প্রতিরক্ষামন্ত্রী’র সন্ধান। দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদান থেকে বিতাড়িত হলো সৈরশাসক ওমর আল বশির।১৯৮৯ সালের পর থেকে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে রাখা সৈরশাসক বশির’কে এই বছরের এপ্রিলে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গ্রেফতার করে দেশটির সেনাবাহিনী।

১৯৯৫ সালে দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কর্ণেল ইব্রাহিম কে গ্রেফতার করেন সদ্য বিদায়ী সৈরাচার বশির।২০০৮ সালের এক বিমান দূর্ঘটনায় আউফকে মৃত ঘোষণা করে দেশটির সরকার।বশির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সম্প্রতি সুদানের একটি মসজিদের ভূগর্ভস্থ কারাগার থেকে সাবেক এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী’কে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

পাউরুটির দাম বাড়িয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুদানে গণবিক্ষোভ শুরু হয়।সেই বিক্ষোভের জেরেই সুদানের সদ্য গ্রেফতার হওয়া প্রেসিডেন্ট এর ক্ষমতার অবসান ঘটে।সুদানের মৃত প্রতিরক্ষামন্ত্রী’র সন্ধান।

বিশ্ব গণমাধ্যম রয়টার্স এর তথ্য মতে প্রায় তিন লক্ষ মারুষকে হত্যার বিনিময়ে ক্ষমতায় টিকে ছিলো বশির।

দেশটির নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে।সুদানের মৃত প্রতিরক্ষামন্ত্রী’র সন্ধান।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ১০ টি শহর। > http://sonalikantha.com/বসবাসের-উপযুক্ত-বিশ্বের/

এর আগে দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে সুদান শাসন করেন ওমর আল বশির।এসময় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনে সুদানের জনগণ।

দীর্ঘ আন্দোলনে সুদানের বহু সংখ্যক জনতাকে প্রাণ দিতে হয়েছিলো।

সুদানের রাজপথে গণতন্ত্রের দাবিতে ওমর আল বশিরের পতন প্রত্যাশি ব্যাপক আন্দোলন সংগঠিত হয়।বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সময় আন্দোলন গড়ে তুলেছিলো সুদানের বিরোধী রাজনৈতিক সংগঠন গুলো।

সুদানের সেনাবাহিনী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন।আর কোন বিশৃঙ্খলা সয্য করা হবেনা। সুদানের বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিলো নাগরিক অধিকার এবং গণতন্ত্র ও জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করা।

সুদানের আন্দোলন দমন করার জন্য কোথাও কোথাও বশির পতনের আগেই সামরিক আইন জারি করা হয়েছিলো।অনেক সূত্রমতে বেসামরিক আন্দোলন ছিলো নামে মাত্র।পর্দার আড়ালে সব কিছু সামরিক বাহিনী ঠিক করে দিয়েছেন।

কোন কোন বিশ্লেষণে উঠে আসে সামরিক অভ্যুত্থান গুলোতে জনগনের আন্দোলণ প্রকাশ্যে এলেও এর পেছনে মূলত যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা দেশ গুলোর ইন্ধন রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ান আর্থ ফিউচার জানাচ্ছে, গত শতকের তুলনায় এই শতকে অভ্যুত্থান ৮০ শতাংশ কমে গেছে।সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পরই মূলত অভ্যুত্থান কমে যায়।

সেই সাথে অভ্যুত্থানের ধরনও কমে যায়।আগের মত রাতের আঁধারে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পতন হয়না।এখন জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ক্ষমতা ছাড়তে দেখা যায় সরকার গুলোকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here