চার লক্ষাধিক মানুষের গণভোজে আলোড়ন।

চার লক্ষাধিক মানুষের গণভোজে আলোড়ন। প্রতি বছর ৪ লক্ষাধিক মানুষের ভোজের আয়োজন করে দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী।বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ২৭০ টি গরু জবাই দিয়ে এই ভোজের আয়োজন হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চার লাখের বেশি মানুষের জন্য় গণভোজের আয়োজন করেছেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চোধুরী।

গতকাল ১৪ আগস্ট নোয়াখালী শিল্পকলা একাডেমি মাঠে তিনি সব ইউনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ২৭০ টি গরু হস্তান্তর করেন।এছাড়া হিন্দুদের জন্য তিনি আয়োজন করেছেন ভোগের।এক্ষেত্রে তিনি ১৫ লক্ষ টাকা হস্তান্তর করেছেন মন্দির প্রতিনিধিদের কাছে।

সুবর্ণচর উপজেলা আওয়া্মীলীগের সভাপতি ওমর ফারুক জানান,বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষীকী উপলক্ষে এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর এ ব্যাতিক্রম আয়োজন প্রশংসার দাবিদার।

প্রতি বছর তিনি নোয়াখালীর জেলা শহরে এই বিশাল গণভোজের আয়োজন করেন। নিজ জেলা সহ সারা দেশের দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে তিনি প্রশংসা পাচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ ছেলের প্রতি দুঃখীনি মায়ের আকুতি, বাবা আমায় মারিস না। http://sonalikantha.com/বাবা-আমারে-মারিসনা-ছেলের/

অসামাজিক কাজের বিরুদ্ধে এমপি একরামুল করিম চেীধুরীর তৎপরতা।

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব একরামুল করিম চৌধুরী এমপি নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর পৌর পার্কে স্কুল কলেজে পড়ুয়া যুবক যুবতিদের ক্লাস চলাকালীন সময়ে আড্ডা দেওয়ার বিরুদ্ধে একশনে যান।এসময় তিনি তেখতে পান দু’জন কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী পার্কে আড্ডা দিচ্ছেন।এসময় তিনি উক্ত যুগলকে পাকড়াও করেন। তদের বাবা’র ফোন দিতে বলেন্।ফোন নম্বর দিতে অস্বীকৃতি জানালে থানায় নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন তিনি।

শহরের প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের মতে পার্কে প্রয়ি সময় দেখা যায় ছাত্র/ছাত্রীরা স্কুল কলেজে না গিয়ে পার্কে এসে বসে থাকে যা সামাজিক ভাবে যেমন সম্যা হচ্ছে তেমন করে পড়ালেখার উপরও মারাত্মক প্রভাব পড়তেছে।

বিভিন্ন পর্যায়ের ও শ্রেনী পেশার মানুষগণ দাবি করেন যে, অভিভাবকরা অবশ্যই তাদের সন্তানদের বিষয়ে খোঁজ খবর রাখা উচিত। ঠিকমত স্কুল কলেজে যাচ্ছে কিনা বা পড়াশোনা ঠিকমত করছে কিনা।এভাবে পার্কে আড্ডা দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষক ও প্রশাসনকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান সকলের।

এছাড়াও পার্কে যেন কোন প্রকার অনৈতিক কাজ কর্ম না ঘটতে পারে সেই বিষয়ে সচেতন হতে হবে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলকে।কোনভাবেই আমাদের কোমলমতি ও উঠতি প্রজন্ম যেন বিপথগামী না হয় সে বিষয়ে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।চার লক্ষাধিক মানুষের গণভোজে আলোড়ন।

দেশের সকল জনপ্রতিনিধী গণকে এমপি একরামুল করিম চৌধুরির মত সামাজিক এসব বিষয়ে সচেতনামূলক কর্মকান্ড পরিচালানা করার আহবান জানাই। চার লক্ষাধিক মানুষের গণভোজে আলোড়ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here