জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে

জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে

সিলেটের বান্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া রায়হান উদ্দিনের মৃত্যুর সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সাংবাদিকরা তাকে ৩৫ বছর বয়সী রায়হানের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে গতকাল তিনি তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে এই বিবৃতি দেন।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মৃত্যুর তদন্ত করছে। তিনি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনটি যাচাই করবেন এবং ভুক্তভোগীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত করবেন।

মন্ত্রী বলেন, “যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তবে তাদের সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে, গতকাল পিবিআইয়ের একটি দল বান্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, অপরাধের দৃশ্য এবং কাশতগড় এলাকা পরিদর্শন করেছে, সেখান থেকে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা আটক করেছিলেন বলে জানা গেছে।

সিলেটের পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান বলেছেন, “আমরা প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ তদন্ত সংস্থা এবং মামলার আগের তদন্তকারী কর্মকর্তা সম্পর্কিত সমস্ত প্রমাণ পেয়েছি; আমরা জড়িত সমস্ত দাগ দেখে পরিদর্শন করে আমাদের তদন্ত শুরু করেছি। মামলা দিয়ে “।

এদিকে, সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও নিহত ব্যক্তির সমাধিস্থ লাশ উদ্ধার করার অনুমতি দিয়েছেন এবং বিষয়টি দেখার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

সিলেটের পিবিআইয়ের বিশেষ সুপার জানিয়েছেন, মামলার আগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপ-পরিদর্শক আবদুল বাতেনের দায়ের করা এবং পুনরায় ময়না তদন্তের জন্য এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে। টা নাগাদ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ তাকে সেখানে ভর্তি করার পর নগরীর নেহারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রায়হান মারা যান।

তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তন্নী বহু স্বামীকে বান্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ভিতরে নির্যাতন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।

অভ্যন্তরীণ তদন্ত দলটি ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার ফাঁড়ির ইনচার্জসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং আরও তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এদিকে, ফাঁড়ির নিকটে সিলেট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের দ্বারা সিসি ক্যামেরায় বন্দী স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, রায়হানকে রবিবার ভোর ৩ টা ৫০ মিনিটে ফাঁসিতে আনা হয়েছিল যখন আমরা আহত অবস্থায় ও আশপাশে পাইনি। সকাল সাড়ে। টা নাগাদ আহত রায়হানকে ফাঁড়ির বাইরে বের করে একটি অটোরিকশায় উঠতে দেখা যায়।

এ ছাড়া মামলার মূল সন্দেহভাজন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেন ভূঁইয়া সোমবার রাত থেকে অনিচ্ছুক ছিলেন।

সিলেটের পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান বলেছিলেন, “প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুচ্চারনীয় পরিস্থিতি আমাদের জ্ঞাত এবং আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। মামলার কোনও ছোটখাটো বিবরণ যেভাবেই উপেক্ষা করা হবে না এবং খুঁজে পাবে যে কেউ জড়িত “।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here