ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা

ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা

উজ্জল ও মসৃন ত্বকের জন্য ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা সবার ই কাম্য।

 

যে কোন বর্ণ, পেশা, যে কোন বয়স, সবার বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটে ত্বকের মধ্যে দিয়ে। আবহাওয়া, বিভিন্ন পরিপার্শ্বিক কারনে মানুষের ত্বকের ধরন ও ভিন্ন হয়ে থাকে। ত্বকের স্বাভাবিকতা রক্ষার্থে, বিভিন্ন ঋতুতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী মানানসই ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা বেছে নেওয়া প্রয়োজন। আমাদের দেশে শীত, গ্রীষ্ম, গরম -এই তিনটি ঋতুতে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যায়।

পরিবর্তনের ভিন্নতা দেখা যায় ত্বকের পরিচর্যায় ও। কিন্তু ত্বকের কোন পরিচর্যা ঋতুভেদে আপনার ত্বকের জন্য জরুরী তা নিয়ে অনেকেই সন্দ্বিহান! ত্বকের পরিচর্যা কিভাবে করবেন? ত্বকের ধরন কি বোধগম্য হচ্ছে না?

ত্বক সম্পর্কিত বিস্তারিত অনেক অজানা তথ্য যা আপনার ত্বকের যত্ন নিতে সহায়ক ভুমিকা রাখবে, ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা জানতে হলে সংগেই থাকুন।

 

ত্বক কি?

 

যে নরম আবরণের মাধ্যমে মেরুদণ্ড প্রাণীর বাহিরের অংশ দেহকে  আচ্ছাদিত করে রাখে তা-ই হচ্ছে ত্বক।

 

ত্বকের স্তরঃ  

 

ত্বকের যত্ন নিতে হলে ত্বকের স্তর সম্পর্কে ও জানা জরুরি। নিম্নে ত্বকের স্তর আলোচনা করা হলোঃ

 

১। এপিডার্মিস ত্বকঃ  মানুষের শরীরের বাহিরের অংশে ত্বকের যে স্তর

রয়েছে তাকে বলা হয় এপিডার্মিস ত্বক।

 

কাজঃ

 

** বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করা।

 

** প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখা।

 

** শরীরে পানির সমতা বজায় রাখা।

 

২। ডার্মিস ত্বকঃ কোলেজন কলা দিয়ে গঠিত ত্বকের মধ্য স্তর কে ডার্মিস ত্বক বলা হয়।

 

কাজঃ 

 

** নিউরনযুক্ত ত্বকের এই স্তর টি তাপ এবং চাপ থেকে দেহকে সুরক্ষিত রাখে।

 

৩। হাইপোডার্মিস ত্বকঃ

 

ত্বকের সবচেয়ে নিচের যে স্তরে ফ্যাট জমা থাকে তাকে বলা হয় হাইপোডার্মিস ত্বক।

 

কাজঃ

 

** দেহে খাদ্যের অভাব পরিলক্ষিত হলে এই স্তরে জমা ফ্যাট গলতে থাকে এবং দেহে খাদ্য সরবরাহ করে থাকে।

আরও পড়ুনঃ   অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী গাছের অবিশ্বাস্য যত গুণ!

 

ত্বকের কাজ কি?

 

মানবশরীর কে বিভিন্ন আঘাত এবং প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করা, ভিটামিন ‘ড’ উৎপন্ন করা, দেহে পানির সমতা রক্ষা, তাপমাত্রা বজায় রাখা হচ্ছে ত্বকের অন্যতম প্রধান কাজ। ত্বকে এসব উপাদান  অনুপস্থিত থাকলে বিভিন্ন ধরনের রোগ পরিলক্ষিত হয়।

 

আমরা কেন ত্বকের যত্ন করব?

 

ত্বক দেহের বাহ্যিক আবরণ। ত্বকের মাধ্যমে মানুষের বাহিরের সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ হয়। এছাড়া বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে ও এর প্রভাব পড়ে। এসব এড়াতে প্রয়োজন ত্বকের বাড়তি যত্ন। তবে আমাদের দেশের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ হওয়ায় ত্বকের যত্নটা জরুরী হয়ে পড়ে। ত্বককে সুস্থ রাখতে শীতের পাশাপাশি সব ঋতুতে  ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ।

 

ত্বকের ধরনঃ  ত্বকের যত্ন কেমন হবে তা নির্ভর করে ত্বকের ধরনের উপর। মেয়েদের ত্বক সাধারণত ছেলেদের তুলনায় পাতলা এবং নরম প্রকৃতির হয়ে থাকে। তাই আপনার ত্বকের যত্ন নেওয়ার আগে তার ধরন বুঝে নিন। কারন সব মানুষের ত্বক সমান হয় না। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ত্বকের যত্নে আসতে পারে ভিন্নতা।

মানবদেহে পাঁচ ধরনের ত্বক পরিলক্ষিত হয়।

 

১. স্বাভাবিক ত্বক

২.তৈলাক্ত ত্বক

৩.শুষ্ক ত্বক

৪. মিশ্র ত্বক 

৫. সেনসেটিভ ত্বক

 

আপনার ত্বকের ধরন কেমন তা আপনি কিভাবে বুঝবেন নিম্নে দেওয়া হলঃ-

 

১. স্বাভাবিক ত্বকঃ  রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। আপনার ত্বকের ধরন বুঝতে হলে আপনাকে সকালে মুখ ধোয়ার আগে একটা  টিস্যু নিয়ে  আলতোভাবে পুরো মুখে চেপে ধরতে হবে। যদি টিস্যুতে কোন তেলতেলে ভাব না থাকে তাহলে বুজতে হবে আপনার ত্বক হচ্ছে স্বাভাবিক ত্বক। তাই ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে আপনার ত্বকের সাথে মানানসই এমন পরিচর্যা করতে হবে।

 

 

 

২. তৈলাক্ত ত্বকঃ ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা অন্যদিকে যদি টিস্যুতে তেলতেলে ভাব পরিলক্ষিত হয় তবে বুঝতে হবে আপনার ত্বক তৈলাক্ত ত্বকের আওতায় পরে।

 

৩. শুষ্ক ত্বকঃ সাধারণত ত্বকে যদি স্বাভাবিক ত্বকের অপেক্ষা শুকনো অনুভব হয় তবে তাকে শুষ্ক ত্বক বলে। শুষ্ক ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা যায়। এর ফলে ত্বকের কোষগুলো কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং ত্বকে ভাজ পড়ার প্রবনতা দেখা যায়। তাই শুষ্ক ত্বকের জন্য দরকার একটু বাড়তি পরিচর্যা।

 

৪.  মিশ্র ত্বকঃ  ত্বকে যদি তেলতেলে এবং শুকনো উভয় ধরনের অনুভব হয় তবে তাকে মিশ্র ত্বক বলে। এক্ষেত্রে মুখের মধ্যে  কপাল, নাক ও গালের অংশে তেলতেলে ভাব দেখা যায় এবং বাকি অংশ থাকে শুষ্ক। এ ধরনের ত্বকে বিশেষ করে নাকে ব্লাকহেডস এবং হোয়াইট হেডস দেখা যায়।

 

৫. সেনসেটিভ ত্বকঃ  আপনার ত্বকে যদি কোন প্রসাধনী বা ধুলা-বালির ফলে লাল রেশ, এলার্জি দেখা যায় তাহলে বুজতে হবে আপনার ত্বক হচ্ছে সেনসেটিভ ত্বক। তাই আপনার ত্বকের যত্ন নিতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ-এর পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

 

 স্বাভাবিক ত্বকের যত্নঃ  প্রতিটি ত্বকের জন্য রয়েছে ভিন্ন পরিচর্যা। ঋতুভেদে এ পরিচর্যায়  তারতম্য রয়েছে। নিম্নে আপনার ত্বক যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কিভাবে যত্ন নিতে পারেন নিম্নে তা তুলে ধরা হলো –

 

গ্রীষ্মকালীন পরিচর্যাঃ  ত্বকের যত্নে অবশ্যই প্রাকৃতিক উপাদান বিবেচনায় রাখা বাঞ্চনীয়। একটি বাটিতে টমেটো, শশা পেস্ট করে কাঁচা দুধ দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে পুরো মুখে আর গলাতে লাগিয়ে নিন। ভালো ফল পেতে প্যাকটি শুকানোর জন্য ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। প্যাকটি তুলে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। গ্রীষ্মেকালে বাড়িতে বসেই ত্বকের মসৃণতা বজায় রাখতে এই প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।

 

শীতকালীন পরিচর্যাঃ

 

শীতে যেভাবে ত্বকের যত্ন নিবেন-

 

১। মুসুর ডাল- ১ চা চামচ

২।           মধু- ১/২ চা চামচ

৩।     টক দই- ১/২ চা চামচ

৪।  সামান্য লেবুর রস।

 

উপরের সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগিয়ে নিন। প্যাক টি শুকিয়ে গেলে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। শীতে স্বাভাবিক ত্বকের তারতম্য বজায় রাখতে এই প্যাকটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

 

বর্ষাকালীন পরিচর্যাঃ  বর্ষাকালে ত্বক এর যত্ন নিতে পারবেন যেভাবে –

 

১। পেস্তাবাদাম এর গুড়া

২। গোলাপজল

৩। দুধ

 

উপরোক্ত সব উপকরণ মিশিয়ে ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এই প্যাকটি বর্ষাকালে আপনার ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

 

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নঃ  আপনার ত্বক যদি

তৈলাক্ত হয় তাহলে বিভিন্ন ঋতুতে নিম্নক্তো উপায়ে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন।

 

গ্রীষ্মকালীন পরিচর্যাঃ  গ্রীষ্মকালে যেভাবে ত্বকের যত্ন নিবেন –

 

১। বেসন- ২ চামচ

২। কাঁচা হলুদ বাটা- ১ চামচ

৩। কাঁচা দুধ – প্রয়োজন অনুযায়ী

 

সব একসাথে মিশিয়ে একটি মিশ্রন তৈরী করে মুখে এবং গলায় ভালো ভাবে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। একটা তয়লা অথবা রুমাল হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে আপনার মুখের উপর চেপে ধরে রাখুন। এর পর মুখে বরফ ঘষে নিন। এ মিশ্রনটি নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে প্রানবন্ত।

 

শীতকালীন পরিচর্যাঃ

 

১। মুলতানি মাটি -১ চামচ

২। শশা পেষ্ট       – ১ চামচ

৩। টক দই          – ১ চামচ

 

সব উপকরণ একসাথে করে প্যাক তৈরি করে  মুখে লাগিয়ে নিন। ১৫/২০ মিনিট পর মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন।

শীতকালে আপনার ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে এই প্যাকটি নিয়মিত মুখে লাগাতে পারেন।

 

বর্ষাকালীন পরিচর্যাঃ  বর্ষাকালে ত্বকের সমস্যা অনেক বেশি দেখা যায় বিশেষ করে যাদের তৈলাক্ত ত্বক। এসময় সাবান ত্বকের আদ্রতা কে নষ্ট করে ফেলে। তাই ত্বকের যত্ন নিতে বাড়িতে  নিজেই সাওয়ার জেল তৈরি করে ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা করতে পারেন যা যা লাগবে-

 

 ১। গ্লিসারিন – ৪ চা চামচ

২। লিকুইড ক্যাসটাইল সোপ-  দেড়

কাপ

৩। পেপারমিণ্ট এসেনশিয়াল ওয়েল – ১০ ফোটা

৪। ল্যাং ল্যাং এসেনশিয়াল ওয়েল – ১০ ফোটা

 

উপরের সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ডিসপেন্সার পাম্পযুক্ত বোতলে রেখে দিন। গোসলের সময় এই জেল সারা শরীরে ভালো ভাবে ঘষে নিয়ে গোসল করতে পারেন। এই জেল আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে। শুষ্ক ত্বকের জন্য নিম্নের পরিচর্যা ফলপ্রসূ হতে পারে।

 

গ্রীষ্মকালীন পরিচর্যাঃ  গ্রীষ্মের গরমে যেভাবে ত্বকের যত্ন নিবেন –

 

ওটমিল – ২ চামচ

অ্যালোভেরা এক্সট্রাক্ট – ২ চামচ

মধু    – ১ চামচ

 

সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। মিশ্রন টি শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

 

শীতকালীন পরিচর্যাঃ

 

শীতে ত্বকে শুষ্কতা বেড়ে যায় আরও বেশি। এ থেকে রেহাই পেতে নিম্নে দেওয়া প্যাক প্রয়োগ করতে পারেন।

 

** প্রথম ধাপঃ

কাঁচা দুধ – ১ চামচ

মধু         – ১ চামচ

 

এই দুইটি মিশ্রন একসাথে মিশিয়ে ২ মিনিট ত্বকে ম্যাসেজ করে নরমাল পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

 

মধু আপনার ত্বকে ময়শ্চারাইজার এর কাজ করবে এবং দুধ ত্বক কে পরিষ্কার করবে।

 

২য় ধাপঃ

 

১। অ্যালোভেরা জেল – ১ চা চামচ

২। ই – ক্যাপসুল         – ১ টা

৩। মূলতানি মাটি      – ১ চা চামচ

৪। কাঁচা দুধ               – ১ চামচ

৫। সামান্য মধু

 

সমস্ত উপকরণ একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ক্রীম ব্যবহার করতে পারেন।

 

বর্ষাকালীন পরিচর্যাঃ  বর্ষাকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য অবশ্যই ময়েশ্চারাইজারযুক্ত এসপিএফ ৩০  মাত্রার অধিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

 

মিশ্র ত্বকের যত্নঃ   যাদের ত্বক মিশ্র তারা কোন ঋতুতে কিভাবে ত্বকের যত্ন নিবেন বুঝতে পারেন না। তাদের জন্য ঋতুভিত্তিক পরিচর্যা তুলে ধরা হলো-

 

শীতকালীন পরিচর্যাঃ

 

আপনার ত্বকের ধরন যদি মিশ্র হয়ে থাকে তবে প্রতিদিন হালকা ক্লিনজার ব্যবহার করা যেতে পারে। এবং ত্বকের শুষ্ক স্থানে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন। এবং প্যাক হিসেবে সিদ্ধ মিষ্টি কুমড়ার সাথে মধু ও দুধ মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

 

সেনসেটিভ ত্বকের যত্নঃ    

 

যাদের ত্বক সেনসেটিভ তারা চাইলেই ত্বকে যে কোন কিছু ব্যবহার করতে পারেন না। তাদের জন্য কিভাবে ত্বকের পরিচর্যা করবেন নিচে তুলে ধরা হলো –

 

১। অ্যালোভেরা জেল ত্বকে আধাঘন্টা লাগিয়ে রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

 

২। ৪ চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে ১৫ মিনিটের মত লাগিয়ে রাখুন। পরক্ষণে মুখ ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।

 

ত্বকের যত্নে খাদ্যাভ্যাসঃ

 

আমারা যে খাবার গ্রহন করি তা আমাদের সম্পূর্ণ শরীরে শক্তির যোগান দিয়ে থাকে। এমনকি কি ত্বকে ও। তাই প্রতিদিন বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হবে এবং শাক-সবজি খেতে হবে। যথাসম্ভব অতিরিক্ত  তৈলাক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।

 

পরামর্শঃ  ত্বকের সুরক্ষায়  উপোরক্ত পরিচর্যা ধরন অনুযায়ী আপনি বেছে নিতে পারেন। তবে আপনার এলার্জির সমস্যা থাকলে অথবা ত্বকে অন্য কোন রোগের উপসর্গ থাকলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ-এর শরণাপন্ন হয়ে পরামর্শ অনুযায়ী  উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ শীতে ত্বকের সুরক্ষায় ৭টি প্রাকৃতিক উপায়

কর্মচাঞ্চল্য জীবনে একটু সময় বের করে হলে ও ত্বকের সুরক্ষায় ঋতুকালীন পরিচর্যা করা প্রয়োজন। ত্বকের সুরক্ষায় আপনি উপরোক্ত পরিচর্যা প্রয়োগ করতে পারেন। এতে আপনার ত্বকের ক্লান্তির ছাপ দূর হবে এবং ত্বককে সক্রিয় করে তুলবে। আর অবশ্যই সব সময় মুখ ধুয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here