সূর্যোদয় ঝর্ণা ও মেঘের দেশ সাজেক ভ্যালি।

collected

সূর্যোদয় ঝর্ণা ও মেঘের দেশ সাজেক ভ্যালি। অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশে। সবুজে সবুজে সবুজায়ন বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে স্থান করে দিয়েছে বিশাল উচ্চতায়।পার্বত্য চট্টগ্রাম যেন বাংলাদেশের সৌন্দর্যের  রানী।পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন সবুজের মহা সমারোহ দোল খাচ্ছে।পার্বত্য জেলা চট্টগামের বুক চিরে দাঁড়িয়ে আছে সবুজের নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য।পাহাড় গুলোকে মনে হয় চিত্র শিল্পী নিজ হাতে রঙ করে সাজিয়ে রেখেছে।

বাংলাদেশের সৌন্দর্যের  লীলা নিকেতন ও অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রাঙামাটির সাজেক ভ্যালী।সবুজ পাহাড়, ঝর্ণা, সূর্যোদয়ের বর্ণিল দৃশ্য এবং স্বচোক্ষে মেঘের দৃশ্য দেখার সুযোগ থাকায় মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় আাকর্ষণ হলো সাজকে ভ্যালী।সাজেক কে কেউ ডাকে মেঘের দেশ কেউ বলে সূর্যোদয়ের দেশ।আবার কেউ বলে সৌন্দর্যের রাণী।

collected from goole
collected photo

সাজেকে দেখার মত আকর্ষণিয় স্পটঃ চোখ জুড়ানো যত দৃশ্য সবই আছে সাজেক ভ্যালীতে।প্রকৃতির অসাধারল রঙলীলা অঙ্কিত সাজেকে দেখার মত স্পট বলতে পুরো সাজেকই আকর্ষণীয় একটি পর্যটন স্পট।সাজেক যওয়ার পথেই আপনি উপভোগ করতে থাকবেন এর মূল আকর্ষণ সবুজের সমারোহ।রাস্তার দু’দ্বারে সবুজের পাহাড় যেন মুগ্ধ করে সাজেক আগত সবাইকে।দু’পাশে সবুজ পাহাড় আর মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া রাস্তা গুলো একবার পাহাড়ের চূড়ায় উঠছে আবার নিচে নামছে।এমন দৃশ্য দেখেই সাজেকের মুল সৌন্দয উপভোগ করা শুরু হয়।

মেঘ দেখাঃ বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মধ্যে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি আকর্ষনিয় সাজেক ভ্যালি।এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।আর সাজেকের মূল আকর্ষণ হলো বাংলাদেশের মানুষ যেখানে ভারতের মেঘালয় দার্জিলিং যেত মেঘ দেখতে এখন মেঘ দেখা যায় আমাদেরই দেশের সাজেকে।যে মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়ে মুহুর্তে সবকিছুকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সেই বৃষ্টি দেখার জন্য সবার কৌতুহল থাকবে এটাই স্বাভাবিক।আর তাই মেঘ দেখার জন্য সবার আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু এখন রাঙ্গামাটির সাজেক ইউনিয়নের সাজেক ভ্যালি।

সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া উঁচুনিচু রাস্তায় চলতে চলতেই একসময় আপনি যখন সাজকেরে মূল কেন্দ্রবিন্দুতে এসে পৌঁছে যাবেন তখনই চোখ জুড়িয়ে যাবে যখন দেখবেন দূর বা নিকটের পাহাড় গুলোতে মেঘেরা উড়োউড়ি করছে্। আর নিজে হয়ত ভাববেন এতদিন যে মেঘকে আমরা আসমানে দেখতাম আজেকে সেই আসমান সমান দূরত্বে নিজেই চলে এসেছি।আপনি যে রিসোর্টেই উঠেননা কেন জানালা খুলে মেঘ আর সবুজ পাহাড়ের চূড়া আপনাকে যেন রুপকথার কল্পরাজ্যে নিয়ে যায়।

কংলাক ঝর্ণাঃ সাজেক ভ্যালির অন্যতম আকর্ষনিয় স্পট হলো কংলাক ঝর্ণা।রুইলুই পাড়া থেকে দেড় থেকে দুই ঘন্টার ট্রেইলে কংলাক ঝর্ণায় যেতে হবে।স্থানীয়রা কংলাক ঝর্ণাকে পিদাম তৈসা বা সিকাম তৈসা বলে ডাকে।আপনি যদি সাজেকে নতুন ভ্রমনকারী হন তাহলে কংলাক ঝর্ণায় যেতে একজন গাইড লাগবে।তা না হলে চিনবেননা।পথ ভূলে যাবেন।গাইডকে অবশ্য ভাড়া ‍দিতে হবে।

collected
collected photo

সূর্যোদয় ঝর্ণা ও মেঘের দেশ সাজেক ভ্যালি। দুই নম্বর হেলিপেড থেকে সোজা নিচের ‍দিকে নামতে হবে কংলাক ঝর্ণা দেখার জন্য।নামতে নামতে দেখবেন পুরোটা পথ বনে জঙ্গলে পরিপূর্ণ। গাছপালার বড় বড় পাতা দেখে মনে হতে পারে টারজানের জঙ্গলে এসে পড়ে্ছি।ট্রেইল ধরে নামতে নামতে পা্বেন ঝিরিপথ।পাথরে ঠাঁসা ঝিরিপথের উপর ‍দিয়ে ঝর্ণা এবং বৃষ্টির পানি বয়ে চলে।এই ঝিরিপথটি প্রায ৮০-৮৫ ‍ডিগ্রি খাড়া।তারপর আবার পাহাড় ধরে উপরের ‍দিকে উঠতে হবে।পাহাড় ধরে খানিক উপরে উঠলেই ঝর্ণার আওয়াজ শুনতে পাবেন।ঝর্ণার শব্দ আপনার মনে রোমাঞ্চকর অনুভুতির সৃষ্টি করবে।

কংলাক পাহাড়ঃ সাজেকের শেষ গ্রামটি হলো কংলাক পাড়া।কংলাক পাড়ায় সর্বমোট বিশ থেকে পচিশটি পরিবারের বসবাস। বসবাসরত সবাই পাহাড়ি আদিবাসী।সাজেকের রুইলুই পাহাড়ের একেবারে শেষ প্রান্তে বিজিবি ক্যাম্প।বিজিবি ক্যাম্প থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দুরে অবস্থিত কংলাক পাহাড়।এই কংলাক পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত সাজেকের শেষ গ্রাম কংলাক পাড়া।কংলাক পাহাড় থেকে ভারতের লুসাই গ্রাম স্বচোখে দেখা যায়।পাহড়ের চূড়া থেকে খন্ড খন্ড মেঘ আর সবুজের সমারোহ যে কাউকে মুগ্ধ করবে।

আরও পড়ুনঃ হরিনের বিচরন ভূমি নিঝুম দ্বিপ। http://www,sonalikantha,com/হরিণের-বিচরণ-ভূমি-নিঝুম-দ/

সূর্যোদয়ঃ সাজেক ভ্যালির হেলিপেড থেকে সূর্যোদয় দেখার সূবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করবেননা।রুইলুই পাড়ার সেনা নিয়ন্ত্রিত রুন্ময় রিসোর্ট থেকে সামান্য একটু সামনে গেলেই দেখবেন একটি পার্ক।সূর্যোদয় ঝর্ণা ও মেঘের দেশ সাজেক ভ্যালি। আর এই পার্কের পরেই হেলিপেড। হেলিপেড থেকে খুব ভোরে দারুনভাবেই সূর্যোদয় উপভোগ করা যায়। অর্থ্যাৎ সূয ওঠার আগে আগেই হেলিপেডে গিয়ে হাজির হতে হবে তাহলে দেখতে পাবেন সূর্যোদয় ।আর সেই সাথে সাদা সাদা মেঘ এর বিশাল রাজ্য তো আরও ভা্রলোভাবে দেখতে পাবেন।সূর্যোদয় ও মেঘ একসাথে দেখার যে কত আনন্দ সেইটা আসলে বলে বোঝানো যায়না।

colleted from google
collected photo

সাজেক ভ্যালির ইতিহাসঃ সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি পর্যটন কেন্দ্র।সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা দক্ষিণে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।পশ্চিমে ভারতের মিজোরাম এবং পূর্বে দীঘিনালা অবস্থিত। সাজেক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।সাজেকের আয়তন ৭০২ বর্গ মাইল।বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিজিবি ক্যাম্প সাজেকে স্থাপিত। মূলত বিজিবি সদস্যদের একান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই সাজেকের পারিপার্শ্বিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। যার ফলে সাজেক আজ একটি আকর্ষণিয় পর্যটন কেন্দ্র।

রুইলুই পাড়া ও কংলাক পাড়া দুটি পাড়া নিয়েই সাজেকের অবস্থান।রুইলুই পাড়ার অবস্থান সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭২০ ফুট উ্চ্চতায়।আর সমুদ্র থেকে ১৮০০ ফুট উপরে কংলাক পাড়া অবস্থিত।সাজেকে লুসাই,পাংখোয়া ও ত্রিপুরা আদিবাসী বাস করে।সাজেকে ভ্যালির উপর থেকে পুরো রাঙ্গামাটি দেখা যায়।তাই সাজেক কে রায্গামাটির ছাদ বলা হয়।

collected from google
collected photo

কিভাবে যাবেনঃ চট্টগ্রাম ছাড়া বাংলাদেশের যেকোন স্থান থেকে আপনাকে সাজেক ভ্যালি যেতে হলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে।সাজেকের অবস্থান রাঙ্গামাটি হলেও খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক এর দূরত্ব কম।খাগড়াছড়ি জেলা থেকে সাজেকের দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার।আর দীঘিনালা থেকে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার।

ঢাকা থেকে সাজেকঃ ঢাকা থেকে সরাসরি সাজেকের কোন গাড়ি নেই। খাগড়াছড়ি,দীঘিনালা.বাঘাইহাট আসা পর্যন্ত সরাসরি বাসের ব্যবস্থা রয়েছে।ফকিরাপুল,আরামবাগ ও সায়েদাবাদ থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পরিবহনের বাস খাগড়াছড়ি আসে।সেন্টমার্টিন পরিবহন,এস আলম পরিবহন,ইকোনো সার্ভিস এর বাসগুলোর সার্ভিস খুব ভালো।ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি আসার ভাড়া ৫২০/- থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে জনপ্রতি।ঢাকা থেকে দীঘিনালা যেতে চাইলে সৌদিয়া পরিবহন ও শান্তি পরিবহন বাস রয়েছে।এগুলোর ভাড়া ৫৮০/- থেকে ১০০০/- টাকা পর্যন্ত রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে সাজেকঃ চট্টগ্রাম থেকে বিআরটিসি বাসে করে খাগড়াছড়ি দীঘিনালা হয়ে সাজেক যেতে পারেন।চট্টগ্রাম কদমতলী থেকে সারাদিন ৪টি বাস চলাচল করে।অক্সিজেন মোড় থেকে শান্তি পরিবহনের বাস চলাচল করে।কদমতলী থেকে ২০০ টাকা এবং অক্সিজেন মোড় থেকে ভাড়া ১৯০ টাকা।এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে যারা সাজেক যাবেন তারা কাপ্তাই লেকের নৌপথ হয়ে রাঙ্গামাটি থেকে সিএনজি চড়ে লংগদু নামতে হবে। আবার লংগদু থেকে বাঘাইহাট হয়ে সাজেক যাওয়া যায়।

খাগড়াছড়ি ও দীঘিনালা থেকে সাজেকঃ খাগড়াছড়ি শহর অথবা দীঘিনালা থেকে সাজেক যাওয়ার মাধ্যম হলো চাঁদের গাড়ি,সিএনজি,মোটরসাইকেল।যাত্রাপথে পড়বে ১০নং বাঘাইহাট পুলিশ ও সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা চৌকি।এখানে পর্যটকদের তথ্য ও গাড়ির নম্বর,ড্রাইভারের নাম এবং ফোন নম্বর দিয়ে সাজেক যেতে হয়।সেনাবাহিনীর গাড়ি বহর দ্বারা নিরাপত্তা দিয়ে পর্যটকবাহী গাড়ি গুলো সাজেক পৌঁছে দেওয়া হয়।

collected
collected photo

যাতায়াত খরচঃ খাগড়াছড়ি থেকে চাঁদের গাড়ি একটা রিজার্ভ করলে সকাল ১০:৩০ বহরে যদি সাজেক যান তাহলে পরদিন সকাল ১০:৩০ এর বহরে ফেরত আসলে খরচ পড়বে ৭৭০০/- টাকা।আর আপনি চাইলে দ ’দিন বা তিন দিন থাকতে পারেন তবে গাড়ি ভাড়া বাড়তি দিতে হবে।দুপুর ১২:৩০ এর গাড়ি বহরে গিয়ে পরদিন সকালের বহরে চলে আসলে ভাড়া ৪০০০-৫০০০/- টাকা আসবে।আর যদি সিএনজি নিয়ে যান তাহলে আসা এবং যাওয়া ৪০০০/- টাকা খরচ পড়বে।

কম খরচে কিভাবে সাজকে যাবেন? সবচেয়ে কম খরচে সাজেক যেতে হলে দীঘিনালা উপজেলার বাঘাইহাট যেতে হবে।ঢাকা সায়েদাবাদ থেকে রাত ১২:০০ টার সময় বাঘাইহাটের উদ্দেশ্যে সৌদিয়া পরিবহনের ছেড়ে যায়।ভাড়া পড়বে ৬২০ টাকা।এছাড়াও খাগড়াছড়ির ন্যান্সির বাজার থেকে জনপ্রতি ৫০ টাকা ভাড়ায় দীঘিনালা।সেখান থেকে বাঘাইহাট ৪০ টাকা ভাড়ায় বাঘাইহাট যেতে পারেন্।বাঘাইহাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৪টা করে চাঁদের গাড়ি সাজেকের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।আবার প্রতিদিন একই সময় ছেড়ে আসে।ভাড়া জনপ্রতি ১৫০/- টাকা।

সাজেক কখন যাবেনঃ সাজেকের রুপের বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যাবেনা।সারা বছরই সাজেক তার রুপ বৈচিত্র মেলে ধরে পর্যটকদের জন্য।তবে মেঘের চমৎকার খেলা দেখার জন্য বর্ষা,শরৎ ও হেমন্ত কালে সাজেক ভ্রমণ সবচেয়ে উত্তম।

সাজেকে থাকার ব্যবস্থাঃ সাজেকে থাকার জন্য অনেকগুলো রিসোর্ট ও আদিবাসী কর্টেজ রয়েছে।এক রাতের জন্য থাকা জনপ্রতি ২০০/- টাকা থেকে ১৫০০০/- টাকা পর্যন্ত ভাড়া রয়েছে।ভালো রুম পেতে হলে মাস খানেক আাগে থেকেই বুকিং দিতে হবে।

collected

রিসোর্ট ও কর্টেজের বিবরণঃ

সাজেক রিসোর্টঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত সাজেক রেসোর্ট।এই রিসোর্টের নন এসি রুম গুলোর ভাড়া প্রতি রাত ১০,০০০/- থেকে ১৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত।খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারী কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে ডিসকাউন্ট।ফোন নম্বরঃ ০১৮৫৯-০২৫৬৯৪, ০১৮৪৭-০৭০৩৯৫

রুন্ময় রিসোর্টঃ দ্বিতল বিশিষ্ট এই রিসোর্টে মোট ৫টি রুম রয়েছে।এই রিসোর্টের প্রথম তলার প্রতিটি রুমে ২ জন থাকতে পারবেন। ভাড়া প্রতি রুম ৪৪৫০/- টাকা।দ্বিতীয় তলায় প্রতি রুমে দুজন থাকতে পারবেন।ভাড়া ৪৯৫০/- টাকা।এছাড়াও উভয় তলার রুমে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন ৬০০/- দিয়ে।

মেঘ মাচাং এর প্রতিটি কর্টেজের ভাড়া পড়বে ২৫০০/- থেকে ৩৫০০/- টাকা।ফোনঃ ০১৮২২-১৬৮৮৭৭

জুইঘর রিসোর্ট এর প্রতি রুমে দুজন থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।ভাড়া ২০০০/- টাকা থেকে ৩০০০/- টাকা।ফোনঃ ০১৮৮৪-২০৮০৬০

লুসাই কর্টেজে কাপল রুম,ডাবল বেড রুম এবং খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।ভাড়া ২০০০/- টাকা থেকে ৩০০০/- টাকা।

সাজেকে কোথায় খাবেনঃ সাজেকে খাওযার জন্য রেস্টুরেন্ট রয়েছে।আগে থেকেই বলে রাখলে খাবার রেডি করে রাখবে।প্রতি জন ১০০- ১২০ টাকা খরচ আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here