Home Blog Page 17

ফেসবুক ব্যবহার করতে যে নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।

0
ফেসবুক ব্যবহার করতে যে নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।
ফেসবুক ব্যবহার করতে যে নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।

ফেসবুক ব্যবহার করতে যে নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।  এইবার ফেসবুক চালানোর ক্ষেত্রে ফেসবুক নিয়ে নতুন নিয়ম।তবে এই নিয়ম শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ যারা চালান তাদের জন্য।ফেসবুক পে্জে সচ্চতা ও বিশ্বাস যোগ্যতা তৈরীর জন্য নতুন এই ফিচার ঘোষনা করেছে ফেসবুক।

নতুন ফিচারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ”পেজেস পাবলিশিং অথরাইজেওশন” বা পেজ প্রকাশের অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়।আপাতত যুক্তরাস্ট্রভিত্তিক যেসব পেজে ব্যাপক অনুসারী আছে এমন পেজ গুলোর জন্য

এছাড়া পেজটি কোন দেশ থেকে  তৈরী  ,তার লোকেশন বা অবস্থান কোথায় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।কোন পেজ যদি মার্‌জ করা হয় বা পরস্পরের  সঙ্গে যুক্ত করা হয়,তাও দেখার সুবিধা থাকতে হবে।

ফেসবুক বলছে ,যারা ফেসবুক চালান বা ব্যাবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন ,তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোর হতে যাছে ফেসবুক।পেজে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিরদিষ্ট কিছু নিয়মনীতির মধ্যে থাকতে হবে।তাদের এখন টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে এবং কোন কিছু পোষ্ট করার আগে তাদের অবস্থান(প্রাইমারি হোম লোকেশন) ফেসবু্ককে নিশ্চিত করতে হবে।

ফেসবুক বলছে,ভূয়া খবর প্রকাশ ঠেকাতে ঠেকানোর জন্য এই প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।হ্যাক হও্যা আইডির বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা যাবে।জোর করে অনুমোদনের এই প্রক্রিয়া এই মাসের শেষের দিকে শুরু হবে।

আরও পড়ুনঃ ফেসবুক থেকে আয় করার কৌশল। <> http://sonalikantha.com/ফেসবুক-থেকে-আয়-করার-কৌশল/

পেজ হিস্ট্রি পেজের মধ্যে কোন পেজের সাথে কোন পেজ কখন একত্রিত হয়েছে তা প্রদরশন করা হবে ।এতে অই পেজের অনুসারিদের কাছে পেজের সচ্চতা থাকবে।এ ছাড়া অনুসারীরা সচেতন থাকতে পারবেন।পেজের সাথে ”peoples who manage this page” নামে একটি সেকশন বা বিভাগ যুক্ত হবে।যেখানে পেজ ব্যাবস্থাপকদের সম্পরকে তথ্য থাকবে।

ফেসবুক ব্যবহার করতে যে নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক। ফেসবুক ছাড়াও ইনস্টাগ্রামে এই ফিচার চালু করবে ফেসবুক।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিরবাচনে ভুয়া খবর ও ডেটা প্রাইভেসি সংক্রান্ত ক্যালেংকারির পর ফেসবুকের কাছে থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।ফেশবূক পেজের ক্ষেত্রে সামান্য চ্যাঞ্জ, ভূয়া খবর ঠেকানোর জন্য একধাফ অগ্রগতি বলেই মনে করা হচ্ছে।

এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন।

0
এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন।
এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন।

সোনালী কন্ঠঃ এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন। আমাদের মুখে খাবারের সাথে এলাচ পড়লে খাবারের মজাই নষ্ট হয়ে যায়।্মনে মনে ভাবতে থাকেন এলাচ খবারের সাথে না দিলেই বা কি হয়।কিন্তু সত্যিই এই এলাচ খাবারের সাথে ব্যাবহার না করলেই নয়।চিকিতসা বিজ্ঞান বলছে প্রতিদিন একটি করে এলাচ খেলে আট টি রোগের ঊপকার পাওয়া যায়।এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন।

এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন। জেনে নিন এলাচ আপনার শরীরের জন্য কতটা উপকারিঃ

১>এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়।আদার মতই পেটের না্না সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক উপকারী।বুক জালাপোড়া,বমি ভাব,পেট ফাপা,এসিডিটির হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাচ খুব উপকারি।

২>দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই।এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

৩>রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে অনেকে।এলা্চের রক্ত পাতলা করার দারুন গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে।প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

৪>এলাচের টিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম।শরীরের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আনতে সহায়তা করে।

৫>মূখে খূব বেশিু দূর্গন্ধ হয়?একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন।এলাচ মুখের দূর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের গন্ধ দূর করে।

আরও পড়ুনঃ সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা। http://sonalikantha.com/সকালে-কাঁচা-ছোলা-খাওয়ার-স/

৬>নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মাড়ির ইনফ্যাকশন,মূখের ফোঁড়া সহ দাত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন।

৭>গবেষনায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।এলাচ দেহের ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাধা প্রদান করে।এলাচের চমৎকার গুণাগুণ সম্পর্কে জানুন।

৮>এলাচের এন্টি অক্সি্ডেন্ট উপাদান স্কিনে বয়সের ছাপ,রিংকেল,ফ্রি র‍্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাধা প্রদান করে।এলাচ স্কিন ডিসেস এর অনেক উপকার করে।

সুস্থ থাকার জন্য আপনার শরীরের নিয়মিত যত্ন নিন।সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করুন।সকালে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম আপনার শরীর ও মন বেশ সুস্থ ও ফুরফুরে লাগবে।

তৈলাক্ত খাবার আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনবে।পেট জ্বালাপোড়া,বদ হজম সহ নানা রকম সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তৈলাক্ত খাবার কম খান।

যেসব কারনে কুরবানি দিলেও হবেনা।

0
যেসব কারনে কুরবানি দিলেও হবেনা।
যেসব কারনে কুরবানি দিলেও হবেনা।

সোনালী কন্ঠ ডেস্কঃ যেসব কারনে কুরবানি দিলেও হবেনা। কোরবানি শব্দের অনুবাদ ত্যাগ আর ঈদ মানে খুশি।কুরবানির ঈদ মানে খুশির ত্যাগ।আল্লাহর সন্তুষ্টি অরজনের লক্ষে পশু কুরবানি করে বান্দাদের আনন্দবোধ হয়।

কুরবানি হলো ওয়াজিব।অধিকাংশ মুসলমান কুরবানি দিতে চান। কিন্তু অনেকেই কুরবানি সম্পরকে ইসলামের বিধান না জানায় ঠিকমত কুরবানি দিতে পারেনা।ফলে তাদের কুরবানি শুদ্ধ হয়না।

যেসব কারনে কুরবানি দিলেও হবেনা।তা উল্লেখ করা হলোঃ

১)পশু কোরবানির মাধ্যমে মালের কোরবানি হবে সেই সাথে মনেরও কোরবানি হবে।এই কোরবানির ্পশু জবাই করতে প্রচুর পরিমানে টাকা খরচ হয়।এই টাকার প্রতি মায়া ত্যাগ করে কোরবানি দিতে হয়।তাহলেই কোরবানি সহিহ হয়।
২)কো্রবানি করতে গেলে মনের মধ্যে যদি গোশ্ত খাওয়ার চিনতা থাকে তাহলে ওই ব্যাক্তির কোরবানি সহিহ হবেনা।

৩)সুদ,ঘুষ ও অসৎ টা্কায় কোরবানি দিলে কোরবানি সহিহ হবেনা।

৪)কোরবানির পশু ভাগে ক্রয় করলে অংশিদারদের মনের ভেতর কোন প্রকার গলদ থা্কলে কোরবানি হবেনা।

আরও পড়ুনঃ গরুর হাটে গেলে যেসব বিষয়েে সচেতন থাকতে হবে।http://sonalikantha.com/গরুর-হাটে-গেলে-যেসব-বিষয়ে/

কোরবানি সহিহ করতে মাংশ বন্টন ও বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে।হাদিস শরিফ অনুযায়ী তু্লে ধরা হলো।

১)শরিকে কোরবানি করলে ওজন করে বন্টন করতে হবে।অনুমান করে ভাগ করা জায়েজ নয়।

২)কোরবানি গোশতের এক তৃতীয়াংশ গরিব মিসকিনকে  এবং এক তৃতীয়াংশ আত্মীয় স্বজনকে ভাগ করে দিতে হবে।

৩)কোরবানির গোশত বিক্রি করা জায়েজ নয়।বিক্রি করলে পূর্ণ টাকা সদকা দিতে হবে।

৪)কোরবানির গোশত হিন্দু ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের দেয়া জায়েজ।

৫)জবাইকারী, কসা্ই বা পশু কোরবানির কাজে সহায়তাকারী্কে চামড়া ,গোশত বা কোরবানির পশুর কোন কিছু দেয়া জায়েয হবেনা।

৬)কোরবানির চামড়া কোরবানিদাতা নিজেও ব্যাবহার করতে পারবেন।তবে কেউ যদি নিজে ব্যাবহার না করে বিক্রি করে তবে বিক্রিলব্দ মূল্য পুরোটা সদকা করা জরুরী।

৭)এক কোরবানির পশুতে আকীকা ,হজ্জের নিয়ত করা যাবে।এতে প্রত্যেকের নিয়ত করা ইবাদত আদায় হয়ে যাবে।

৮।ঈদুল আযহার দিন প্রথম নিজ কোরবানির গোশত দিয়ে খানা শুরু করা সুন্নত।সকাল থেকে কিছু না খেয়ে প্রথমে কোরবানির গোশত খাওয়া সুন্নত।এই সুন্নত শুধু যিলহজ্জের জন্য।

৯)কোরবানির সময় অনেক মহাজন পশুর হাড় ক্রয় করে থাকেন।টোকাইরা বাড়ি বাড়ি থেকে হাড় সংগ্রহ করে তাদের কাছে বিক্রি করে।এদের ক্রয় বিক্রয় জায়েজ।এতে কোন অসুবিধা নেই।

কিন্তু কোন কোরবানিদাতার জন্য নিজ কোরবানির কোন কিছু এবং কি হাড়ও বিক্রি করা জায়েয হবেনা।

১০)কোরবানির পশুর কোন কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েজ নয়।তবে ঘরের অন্যান্য সদস্যদের মত কাজের লোকদেরও খাওয়া্নো যাবে।

১১)কোরবানির পশু জবাই করে পা্রিশ্রমিক দেওয়া নেওয়া জায়েয।তবে কোরবানির পশুর কোন কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েয নয়।

১২)কোন কোন এলাকায় দারিদ্রদের মাঝে মোরগ কোরবানি করা প্রচলন আছে।এটি না জায়েয।কোরবানির দিনে মোরগ জবাই করা নিষেধ নয়।তবে কোরবানির নিয়তে করা যাবেনা।

১৩)কোরবানির পশুর চামড়ার মালিক কোরবানিদাতা।সে ইচ্ছা করলে তা ব্যাবহারও করতে পারবে।সে যদি চামড়াটি বিক্রি করে দিতে চায় তবে বিক্রি না করে আস্ত দান করাই উত্তম।বিক্রি করলে এর মূল্যের হকদার হবে ফকির মিস্কিন,তথা যাকাত গ্রহনের উপযুক্ত লোকজন।আর এদের ম্ধ্যে আত্মীয় স্বজন ও দ্বীন দারগণ অগ্রাধিকারযোগ্য।

যেসব কারনে কুরবানি দিলেও হবেনা। উপরে বর্ণিত কারন গুলো একজন কুরবানী দাতার জানা আবশ্যক।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

0

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার। ক্রিকেট সাম্প্রতিক সময়ে অনেক জনপ্রিয় একটি খেলা।কেউ ক্রিকেটকে আবার ইশ্বরের সাথেও তুলনা করেছেন।

অনেক মেয়েরা এখন ক্রিকেট খেলা দেখেন হ্যান্ডসাম ক্রিকেটারদের খেলা দেখার জন্য।বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

এখন বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার এর পরিচয় তুলে ধরবঃ

১০) এলীয়েশটার কুকঃ কুকের লুক্স এবং স্টাইল শুধু ক্রিকেট প্রেমিরাই নয়,ভালোবাসবে ক্রিকেটের বাহহিরের জগতের মা্নুষরাও।শুধু দেখার দিক দিয়েই নয় মানুষ হিসেবেও কুকের তুলনা হয়না.২০০৬ সালে ভারতের বিরুদ্ধে অভিষেক হয় তার।

৯)এডাম গি্লক্রিস্টঃ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।সরবকালের সেরা উইকেট কিপার হিসেবে তিনি পরিচি্ত।উইকেটকিপার ও ব্যা্টসম্যান দুই দিক দিয়েই সেরা ছিলেন গি্লি।সর্‌বকালের সেরা ওয়ানডে ও টেস্ট দলে রাখা হত তাকে।আক্রমনাতবক ব্যাটিং ও স্মারটন্যাস এর ্জন্য তিনি অসংখ্য ভক্ত তৈরী করেন।্তবে শুধু খেলা দিয়ে নয় ৬ ফুট সাইজের এই খেলোয়াড়ের লুকের ভক্ত রয়েছে অনেক।

৮।)মাইকেল ক্লাকঃ ২০০৪ সালে খেলার সময় ক্লারকের বয়স কমই ছিলো,তখন তাকে এতটা কিউট দেখতে ছিলো,মনেই হতনা তিনি কোন ক্রিকেট খেলয়াড়।ক্রিকেট ব্যাটের পাশাপাশি ্নিজের রুপ দিয়েও অনেক ফ্যান বানিয়ে ফেলেন তিনি।

৭)কেভিন পিটারসেনঃ ৬ ফুট ৫ ইঞ্চির কেভিন পিটারসেন ক্রিকেট জগতের অন্যতম হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার.২০০৪ সালে আন্তরজাতিক ক্রিকেট অভিষেক পিটারসেন এর।ক্রিকেটার হিসেবে নাম কেনার পাশাপাশি তিনি ইংল্যান্ডের বিখ্যাত স্টাইলিস্ট আইকন হিসেবেও ্পরিচিত।

৬)শহিদ আফ্রিদিঃ বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার। হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার হিসেবে শহীদ আফ্রিদির নাম থাকাটা নিশ্চিত।পাকিস্তানি তরুনীদের কাছে তিনি সবসময় হট ফেভারিট।ব্যাট হাতেও তিনি বিখ্যাত।বিখ্যাত তিনি বুমবুম নামে।ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারের তকমা দেওয়া হয় তাকে।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।
বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

৫)রাহুল দ্রাবিড়ঃ ভারতের প্রাক্তন এই ক্রিকেটার বেশ বিখ্যাত ্ছিলেন ক্রিকেটার হিসেবে।তার ঘরানার ক্রিকেটার খুব একটা দেখা যায়না।তবে ব্যাটসম্যান এর পাশাপাশি তিনি ভারতের নারি কুলের কাছে বিখ্যাত ছিলেন একজন সুপার হ্যান্ডসাম হিসেবেও।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।
বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

৪)এবি দি ভিলিয়ারসঃ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটা্রের তালিকায় ডি ভিলিয়ারসের নাম ৪ নম্বরে।ব্যাট হাতে নাম কামানোর পাশাপাশি নিজের স্মারটন্যাসের জন্য মহিলা মহলে বেশ জন্প্রিয় এই মারকুটে ব্যাটস্ম্যান।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।
বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

৩)ব্রেট লিঃ বল হাতে ব্যাটসম্যানদের উইকেট ছিটকে দেওয়ার পাশাপাশি ,বহু নারি হৃদয়ে ঝড় তুলেছেন ব্রেট লি।তার লুকস এর জন্য ভারত ্থেকে অস্ট্রেলিয়া সব জায়গাতেই তার ফ্যানের সংখ্যা কম নয়।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।
বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

২)তাসকিন আহমেদঃ বাংলাদেশের জাতীয় ্দলের হয়ে তিনি টুয়েন্টি;২০ ও আন্তজাতিক ওয়ানডে ্ম্যাচ খেলেন।২০১৭ সালের ২৮ মাচ ডাম্বুলায় প্রতিপক্ষ শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশের পঞ্চম বোলার হিসেবে হ্যাট্টিক করেন।দেখতে সুদরশন এই ক্রিকেটার তার এট্রাক্টিভ লুকের জন্য অনেক নারীর মনে জায়গা করে নেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।
বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

১) ্মাশরাফি বিন মুরতজাঃ তিনি একজ্ন ডান হাতি বোলার এবং ডান হাতি ব্যাটসম্যান ।জাতীয় দুলে ছাড়াও তিনি এশিয়া একাদশ ও বিশব একা্দশে খেলেন।মাশ্রাফিকে ১ নম্বরে রাখার যুক্তি হচ্ছে তাকে নিয়ে কেউ এখন পরযন্ত কোন খারাফ কিছু বলার সুযোগ পা্ননি তার ভদ্রতার জন্য।তিনি সুদরশন।সবার মন ্জয় করে নিয়েছেন তিনি।মাশরাফি বাংলাদেশের তরুন তরুনীদের জন্য সেরা আইকন।বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।
বিশ্বের সবচেয়ে ১০ হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার।

আরও পড়ুনঃ গেইলকে নিয়ে সাকিব মুশফিকের রসিকতা ইাইরাল।> http://sonalikantha.com/গেইলকে-নিয়ে-সাকিব-মুশফিক/

সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার স্বাস্থগত উপকারিতা।

0
কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার স্বাস্থগত উপকারিতা।

সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার স্বাস্থগত উপকারিতা।  কাঁচা ছোলা উপকারি এইটা আমরা সবাই জানি।প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম,কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম,ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম,২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম,ভিটামিন এ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম,এবং প্রছুর পরিমাণে ভিটামিন বি১ ও বি-২ আছে কাঁচা ছোলায়।

এছাড়াও কাঁচা ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন,খনিজ লবন,ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে।এছাড়াও রয়েছে আরো অনেক উপকার।কাচা ছোলা ভিজিয়ে,খোসা ছড়িয়ে,কাচা আদার সংগে খেলে শরিরে একই সংগে আমিষ ও এয়ান্টিবায়টিক যাবে।আমিষ মানুষকে শক্তিশালী বানায়।সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার স্বাস্থগত উপকারিতা।

ডাল হিসেবে; ছোলা পুস্টিকর একটি ডাল।এ্তে আছে আমিষ,ট্রিপটোফান,কপার,ফস্ফরাস,এবং আয়রন।

হৃদরোগের ঝুকি কমাতেঃ অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে, খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টোরেল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়।ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আশ আছে যা হৃদরোগে  আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।আশ,পটাশিয়াম,ভিটামিন সি,পটাশিয়াম এবং বিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের সাস্থ ভালো রাখতে সাহায্য করে।ফলে হৃদরোগের ঝুকি কমে যায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনঃ আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশন জারনালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখানো হয় যে,যে সকল অল্প বয়সী নারীরা বেশি পরিমানে ফলিক এসিড যুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেশনের পরিমান কমে যায়।

আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন আম খাওয়ার উপকারিতা। http://sonalikantha.com/শরীর-সুস্থ-রাখতে-আমের-যত-প/

রক্ত চলাচলঃ অপর এক গবেশনায় দেখা যায় যে, যারা প্রতিদিন এক বা দুই কাপ ছোলা,শিম এবং মটর খান তাদের পায়ের আরটারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়।

ক্যান্সার রোধেঃ কোরিয়ান গবেশনায় এক গবেষক প্রমান করেন যে,বেশি পরিমান ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহনের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুকি থেকে নিজেদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন।

কোলেস্টেরলঃ সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার স্বাস্থগত উপকারিতা। ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলের পরিমান কমিয়ে দেয়।ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলি-আন্সেচুর‍্যাটেড ফ্যাট,যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।প্রোটিন কারবোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরো আছে বিভিন্ন বিটামিন ও খনিজ লবন।

 

মা গেলো ভিক্ষায়,পুড়ে মরলো শিকলে বাধা ছেলে।

0
মা গেলো ভিক্ষায়,পুড়ে মরলো শিকলে বাধা ছেলে।
ছবিঃ অসহায় মা

মা গেলো ভিক্ষায় পুড়ে মরলো শিকলে বাধা ছেলে। ভিক্ষা করতে যাওয়ার সময় ছেলেকে শিকলে বেধে যান।কিন্তু হঠাৎ্‌ ভিক্ষা থেকে এসে দেখলেন মানসিক ভারসাম্যহীন শিকলে বাধা ছেলে আগুনে পুড়ে মারা গেলেন।

পঞ্চাশোরধ ফাতেমা বেগমের একমাত্র সন্তান রবিউল আজ রোববার এভাবেই মৃত্যুবরন করেন।নগরের চান্দগাও আবাসিক এলাকায় বি ব্লকের ৭ নম্বর রোডে এ ঘটণা ঘটে।আগুনে ৩৬ টি কাচা ঘর পুড়ে যায়।

বেলা ১১ টায় আগুন লাগে।ফাতেমা বিলাপ করতে করতে বলে,”ছেলেকে খাওয়ানোর পর ভিক্ষা করতে গেলাম।এসে দেখি ছেলে পুড়ে ছাই।মাথার সমস্যা থাকায় তাকে বেধে রাখতাম ।ঘরে আর কেউ রইলনা।।এসময় ছারপাশে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এই ঘটনায় আশপাশের মানুষ যারা শুনছেন দুঃখ প্রকাশ করছেন।সবাই শান্তনা দিচ্ছেন অসহায় মা’কে।এমন ঘটনায় থেকে সুরক্ষা পেতে সবাই সচেতন হওয়া উচিত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

আরও পড়ুনঃ   http://sonalikantha.com/ফেসবুক-থেকে-আয়-করার-কৌশল

মায়ের কোলে চড়ে প্রতিবন্ধী’র স্বপ্ন জয়।

মায়ের ভালোবাসা উৎসাহ ছাড়া আমাদের উজ্জল ভবিষ্যৎ কল্পনা করা যায়না।মা বাবার হাত ধরেই আমাদের যত স্বপ্ন পূরণের গল্প মা গেলো ভিক্ষায় পুড়ে মরলো শিকলে বাধা ছেলে। ।তেমনি একটি বাস্তব জীবনের মানবতার গল্প মায়ের কোলে চড়ে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলো প্রতিবন্ধী ছেলে।

পৃথিবীতে সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও নিরাপদ গন্তব্যস্থলে যাওয়ার প্রধান ও একমাত্র মাধ্যম মায়ের কোল।প্রতিবন্ধী ছেলের এই ঘটনা তারই স্বাক্ষী।

পৃথিবীতে মায়ের চেয়ে আপন আর কেউ নেই।মায়ের ভালোবাসা,পরিশ্রম,ত্যাগ সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।একমাত্র মা হচ্ছেন সন্তানের সবচেয়ে আপনজন।পৃথিবীতে বাব,ভাই,বোন,স্ত্রী ভূলে যায় কিন্তু কখনও সন্তান ছেড়ে যায়না।

তেমনি মায়ের ভালোবাসা,মায়ের দায়িত্বের এক উজ্জল দৃষ্টান্ত মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা কিছুদিন আগে দেখলাম।

হৃদয় সরকার নামের নেত্রকোনার এক প্রতিবন্ধী ছেলেকে কোলে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে নিয়ে আসেন মা।মা গেলো ভিক্ষায় পুড়ে মরলো শিকলে বাধা ছেলে। ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া সেই মায়ের কোলের প্রতিবন্ধী ছেলেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে তিনি ‘খ’ ইউনিট থেকে ৩৭৪০ তম হয়েছেন।

সবার সাথে উন্মুক্ত প্রযোগীতায় উত্তীর্ণ হলেও প্রতিবন্ধী কোটায় ভালো সাবজেক্টে ভর্তির সুযোগ পাবেন হৃদয় সরকার।

সব মায়ের সন্তান সফল হোক হৃদয় সরকারের মত এমনটাই প্রত্যাশা হোক আমাদের সকলের প্রতিবন্ধী বলে কিছুতেই জ্বরে যেতে দেওয়া যাবেনা হৃদয় সরকারের মত মেধাবী সন্তানদের।

দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে মেধাবী সুশিক্ষিত সন্তানদের সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করতে হবে আমাদের সকলের।মা গেলো ভিক্ষায় পুড়ে মরলো শিকলে বাধা ছেলে।

ড. মাহফুজুর রহমানের ১০টি লজ্জার ঘটনা।

0
ড. মাহফুজুর রহমানের ১০টি লজ্জার ঘটনা।
ড. মাহফুজুর রহমানের ১০টি লজ্জার ঘটনা।

ড. মাহফুজুর রহমানের ১০টি লজ্জার ঘটনা। বেসরকারী টেলিভিশন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান এখন ভিন্ন কারনে আলোচিত।তার নতুন নতুন গান আবিষ্কার ও গাওয়ার কারনে তিনি ট্রলড হচ্ছেন। মাহফুজুর রহমানকে ট্রল করে কেউ তার কাল্পনিক ১০ টি লজ্জার ঘটনা লিখে প্রকাশ করেন।এগুলো এখন ভাইরাল।

সোনালী কন্ঠের পাঠোকদের জন্য তুলে ধরা হলো;

১)ক্লাস ফাইভে পড়ি ,পাশের বাড়ির আমার বয়সী এক ছেলের সাথে ওর বিদেশী লোগো সেট নিয়ে খেলা করি।একদিন ওর সেটের পার্টস খুজে পাচ্ছি্লামনা।আমি ওর বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ওর মা আমার শার্ট প্যান্টের পকেট চেক করলো।

২)আমার এক কাজিন এ্কটা দুর্দান্ত আই,বি,এম পিসি কিনলো। মানে ওর বাবা কিনে দিয়েছিলো।উনি তখন ইন্টারে পড়তেন।সবাইকে দাওয়াত করে এনে কম্পিউটার দেখাচ্ছে।আমি ঐ পিসির মাউস টা একটু নাড়ানোর অপরাধে কষে থাপ্পড় খেলাম।

৩)কুরবানী ঈদের পরের দিন আমি বাড়িওয়ালার বাসায় দেখা করতে যাই।উনারা কথা বারতা বললেন।আমি টেবিলে বসে আছি।পরিচারিকা পলাও মাংশ ,কাবাব নিয়ে এলো।আমি হাত ধূতে বাথ্রুমে গেলাম।এসে দেখি কিছুই নেই। সে তাদের আত্‌মীয়কে খাবার দেবার পরিবর্‌তে ভূল করে আমাকে দিয়েছে।পরে সেমাই খেয়ে চলে এলা্ম।

৪)পাড়ার সবাই একটা রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছি।এক ভাইয়ার বাবা গাড়ি কিনেছেন সেই সেলিব্রেশন।আসার সময় দামি মাইক্রোবাস এ সবার যায়গা হলো।আমার হলোনা।এক বড় ভাঈ বলল ,তুমি একটা রিক্সা করে চলে আসো।আমি গাড়ি  থেকে নেমে গেলাম।এক্টা মেয়ে ফিক করে হেসে ফেলল।

৫)আমার ক্যালকুলেটোর নষ্ট ,বন্ধুকে বললাম এক্সাম চলছে কলেজে,দুই তিন দিনের জন্ন ক্যাল্কুলেটর টা ধার দে।ও দিলো না।হেসে হেসে বল্লো,এইটা হারায়া ফেললে তোর আ্ববাও এইটা কিনে দিতে পারবেনা।

৬)স্কুল লাইফে একটা মেয়েকে অনেক পছন্দ করতাম।তাকে বলার সাহস কখনো হয়্নি।একদিন সাহস করে অর বার্‌থডে তে এ্কটা গোলাফ দিয়ে ওকে বললাম।হ্যাপি বাথডে।ও গোলাফটা ছুড়ে ফেলে আমাকে বলল,যেমন ফকিন্নি মারকা চেহারা তেমন ফকিন্নি ছাত্র।এত সাহস কেন তোমার।পাশে ওর অনেক বান্ধবী ছিলো।সবাই হো হো করে হেসে ফেলল।ড. মাহফুজুর রহমানের ১০টি লজ্জার ঘটনা।

৭)ক্রিকেট ম্যাচ হবে পাশের পাড়ার সাথে। আমি  খুব ই এক্সাইটেড।আগের দিন ব্যাট মুছে রেডি করলাম।সকালে আমার মা আমাকে আদর করে দোয়া পড়ে দিলেন।মাঠে গিয়ে দেখি আমাদের টিমে ১৪ জন।আমি অপেনিং বল করব।হালকা প্র্যাক্টিস করছি।ক্যাপ্টেন বড় ভাই ১১ জন সিলেক্ট করে ২ জন এক্সট্রা রাখলেন।আমি রিক্সা করে মাথা নিচু করে বাড়ি ফিরে আসলাম.১৪ তম লো্কটি আমি ছিলাম।

আরও পড়ুনঃ বসবাসের উপযুক্ত বিশ্বের সেরা ১০ টি শহর। http://sonalikantha.com/বসবাসের-উপযুক্ত-বিশ্বের/

৮।)ক্লাস নাইনে অংকে পেলাম ৩৯।ক্লাস টেনে রোল নাম্বার পিছিয়ে ৬০।আমার আত্‌মীয়রা আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করেন।একবার আমার মামার বাসায় বেড়াতে গেলাম।ক্লাস থ্রী তে পড়া মামাতো বোন আমার কাছে এটা অংক নিয়ে এলো।সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলাম।আমার মামি বলল,যাও সুমনের কাছে বুঝ,।অংক বুঝে নাকি ও?যথারীতি সবাই হেসে ফেলল।

৯) ড. মাহফুজুর রহমানের ১০টি লজ্জার ঘটনা। ছোট বেলায় খুব  রোগা ছিলাম।দেখতেও ভালো ছিলাম না।একসাথে পাড়ার সবাই যখন খেলতাম।কোন সুন্দর মেয়ে আশপাশে হেটে গেলে আমাকে আবুল বলে ডা্কত।

১০) কলেজ লাইফে একটা অনুষ্ঠাণে আ্মার উপস্থাপনা করার কথা।কিন্তু উপস্থাপিকা আমার সাথে উপস্থাপনা করতে চায়নি।আমি নাকি স্মাট নয়।আমাকে অনুষ্ঠানের দর্‌ষক সারীতে বসতে হলো।ছা্ত্র ছাত্রীদের  হাসি দেখে চলে  আসলাম।