বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘ডুয়াল ব্যাংকিং’ ব্যবস্থা চালুর মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ গ্রাহকদের পছন্দ অনুযায়ী প্রচলিত (কনভেনশনাল) সুদী ব্যাংকিং এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং—উভয় ধরনের সেবাই একই ব্যাংকিং কাঠামোর অধীনে সুনির্দিষ্টভাবে বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার মূল দিকসমূহ:
গ্রাহকের স্বাধীনতা: গ্রাহক তার নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত বা শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা নির্বাচন করতে পারবেন।
বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা: আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থা ও শরীয়াহভিত্তিক আর্থিক বাজারের সাথে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করা।
প্রচলিত ব্যাংকে ইসলামী উইন্ডো: ইতোমধ্যে ৩৫টি প্রচলিত ব্যাংকের মোট ৭৫টি শাখা এবং ১,১০২টি বিশেষায়িত ‘ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো’র মাধ্যমে এই দ্বৈত সেবা পরিচালনা করা হচ্ছে।
শাখা সম্প্রসারণ: শরিয়াহভিত্তিক সেবা আরও তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোর শাখা সম্প্রসারণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার আওতায় বর্তমানে দেশজুড়ে শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকায় ইসলামী ব্যাংকগুলোর হাজারেরও বেশি শাখা সক্রিয় রয়েছে।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের পুরো আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য পছন্দের পরিধি আরও বিস্তৃত হচ্ছে।