×
সদ্য প্রাপ্ত:
সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১২-১৮
  • ২১৪ বার পঠিত
পরিতোষ বড়ুয়া রানা, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি চন্দন দাসসহ আরও ১০ জনকে নতুন করে বিস্ফোরক আইনে গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে।  

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের ৬ষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরীফুল ইসলামের আদালতে পুলিশের আবেদনের পর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।  

এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে চন্দন দাসসহ ১০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।  

গ্রেফতার হওয়া বাকি আসামিরা হলেন— আমান দাস,রুমিত দাস,নয়ন দাস,গগন দাস,বিশাল দাস,রাজীব ভট্টাচার্য্য, দুর্লভ দাস,সুমিত দাস , সনু দাস  

গত ২৫ নভেম্বর রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।  

চিন্ময়ের গ্রেফতারের প্রতিবাদে তার অনুসারীরা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজনভ্যান আটকে বিক্ষোভ করেন। প্রায় তিন ঘণ্টার এ বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।  

আইনজীবী সাইফুলের হত্যার ঘটনায় পুলিশ সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধাদানের অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করে। এ ছাড়া নিহত সাইফুলের বাবা ৩১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা এবং তার ভাই খানে আলম ১১৬ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে আরেকটি মামলা করেন।  

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া বলেন, “নিহতের ভাই খানে আলমের মামলায় প্রধান আসামি চন্দন দাসসহ ১০ জনকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।”  

সহকারী সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, “এই ১০ আসামি সরাসরি আইনজীবী সাইফুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত। আদালতের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।”  

তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat