×
সদ্য প্রাপ্ত:
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৬২ কোটি ঘনফুট ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের গতিবিধি এবং বহিরাগতদের ওপর নজরদারি করতে চালু হচ্ছে এআই ক্যামেরা ভারতসহ ১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের চার্জশিট দাখিল সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না: রাশেদ খাঁন ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০১-১২
  • ১৯১ বার পঠিত
রাশিমুল হক রিমন 
আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা।

আমতলী উপজেলা ডাক বিভাগের ২৯ টি পোস্ট ই-সেন্টারের কার্যক্রম বাক্সবন্দী হয়ে পড়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে সাধারণ মানুষের দুয়ারে ডিজিটাল সেবা  পৌঁছে দেওয়ার পোস্ট-ই সেন্টারের লাখ লাখ টাকার কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জামাদী ব্যবহার না করায় অকোজো অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় পোস্ট-ই সেন্টারের ই-সেবা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। এতে জনসাধারণ কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সাধারণ মানুষের দ্বোর গোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌছে দিতে দ্রæত এর কার্যক্রম সচলের দাবী। 
জানাগেছে, আমতলী উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ২৯ টি শাখা পোস্ট অফিস ও পোস্ট ই-সেন্টার রয়েছে। ওই পোস্ট সেন্টারে একজন পোস্ট মাস্টার, পিয়ন, রানার ও দুইজন উদ্যোক্তা রয়েছেন। স্থানীয় বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতকরণে ডাক বিভাগ কর্তৃপক্ষ ৩ টি ল্যাপটপ, লেজার প্রিন্টার, রঙ্গিন প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ কয়েক লাখ টাকার কম্পিউটার সামগ্রী প্রদান করেছেন। কিন্ত অভিযোগ রয়েছে পোস্ট-ই সেন্টারের উদ্যোক্তারা যুবকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে না। এতে ওই সেন্টার গুলোর প্রশিক্ষণ সরঞ্জামাদি অকেজো হয়ে পরেছে। পোস্ট-ই সেন্টারগুলো প্রায়ই বন্ধ থাকে। এতে যুবকরা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারছে না। আরো অভিযোগ রয়েছে উদ্যোক্তারা প্রশিক্ষণের সরাঞ্জামাদি তাদের বাড়ীতে নিয়ে রেখেছেন। 
খোজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ২৯ টি ই-সেন্টারের প্রশিক্ষণের সকল সরঞ্জাম অকেজো হয়ে পরেছে। 
কুকুয়া ইউনিয়নের হাট চুনাখালী, আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট, গুলিশাখালী ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া পোস্ট অফিসসহ বেশ কয়েকটি পোস্ট ই-সেন্টার ঘুরে দেখাগেছে, বেশীরভাগ সেন্টারই অতিত্ব নেই।  কোন  কোন সেন্টারে নাম সর্বস্ব একটি সাইনবোর্ড টানানো রয়েছে। এ সকল সেন্টারের ডাক বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত সরঞ্জামগুলো ব্যবহার না করে বাক্সবন্দী এবং পোস্ট মাস্টার ও উদ্যোক্তাদের বাড়ীতে রেখে দিয়েছেন। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, উদ্যোক্তারা ল্যাপটপ বাড়ীতে রেখে দিয়েছেন। কোন উদ্যোক্তা সাধারণ মানুষকে সেবা দিচ্ছে না। পোস্ট অফিসে গেলে মানুষ ফিরে আসছেন। 
হাটচুনাখালী পোস্ট ই সেন্টারের উদ্যোক্তা শাহ জাহান মিয়া বলেন, পোস্ট অফিসের ভবন নেই, তাই বাসায় বসে কাজ করছি। 
আমতলী উপজেলা পোস্ট মাস্টার মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, উপজেলার ২৯ টি শাখা পোস্ট অফিসগুলোর ই-সেন্টারের অনেক মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। কার্যক্রম নেই বললেই চলে। 
পটুয়াখালী পোস্ট অফিস পরিদর্শক মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল শাখা পোস্ট অফিসে ই-সেন্টার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে তা সচল করার উদ্যোগ নেয়া হবে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat