সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল মহলের একক সিদ্ধান্তের কারণেই জাতীয় ক্রিকেট দল নির্ধারিত সময়ে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত শঙ্কার অজুহাতে তৎকালীন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নীতিনির্ধারক তথা আসিফ নজরুলের সরাসরি হস্তক্ষেপে এই হাই-প্রোফাইল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ক্রীড়া সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে।
একক সিদ্ধান্ত বনাম প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) সঙ্গে পর্যাপ্ত পেশাদার আলোচনা বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী সুরাহা ছাড়াই তৎকালীন নীতিনির্ধারকদের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কূটনৈতিক শীতলতা ও নিরাপত্তা শঙ্কা: দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতি এবং ভারতে দলের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
ক্রিকেট বোর্ডে অসন্তোষ: সরকারের এ ধরনের একক সিদ্ধান্তে বোর্ডের অনেক কর্মকর্তা ও ক্রীড়া বিশ্লেষকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন, কারণ এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও ভবিষ্যতে আইসিসির টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা দ্বিপক্ষীয় জটিলতা দূর করার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করা উচিত ছিল, কিন্তু সরাসরি মেগা টুর্নামেন্টে দল না পাঠানোর মতো কঠোর সিদ্ধান্ত দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদী অগ্রযাত্রাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। এই একক সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন দেশের ক্রীড়া মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।