×
সদ্য প্রাপ্ত:
৪৯৫ উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জনের প্রাণহানি ফের বন্ধ চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড সাভারে এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরায়েলে ২৮০ কোটি ডলারের শক্তিশালী বোমা পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ: এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি দেশের পাঁচ অঞ্চলে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৬২ কোটি ঘনফুট ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের গতিবিধি এবং বহিরাগতদের ওপর নজরদারি করতে চালু হচ্ছে এআই ক্যামেরা ভারতসহ ১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০২-০৭
  • ৯৪ বার পঠিত

কলাপাড়া প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুরে মহাসড়কে ফেলে  পুত্রবধূকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর আহসান হাবিব ও স্থানীয় শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ সময় পুত্রবধূর সাথে থাকা তার বড় ফরিদ ইসলাম কে হাতুড়ি দিয়ে চোখের নিচে মারাত্মক জখম করেন তারা। এসময় তাদের সাথে থাকা আরেক ভাই রিয়াজ উদ্দিনকে মারধর করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতে মাফিয়া আক্তার বাদী হয়ে মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ৪ বছর আগে আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা আহসান হাবিবের কলেজ পড়ুয়া ছেলে ওমর ফারুক নাবিল নামের এক যুবকের সাথে একই এলাকায় মৃত্যু আনোয়ার হোসেনের মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়ে মাফিয়া আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্ক গভীর হলে গত বছর অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ তারা এভিডেফিড'র মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন ঢাকায়।

কিছুদিন আগে ছেলে ঢাকা থেকে নিজ এলাকা আলীপুরে চলে আসেন এবং মাফিয়ার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। স্বামীর সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে মাফিয়া আক্তার নিজ এলাকায় চলে আসেন। বিভিন্ন মাধ্যমে স্বামীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার স্বামী তার অগোচরে অন্যত্র বিয়ে করেন এবং সংবাদ পেয়ে তার বড় ভাইকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার পথে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে তার স্বামীর সাথে দেখা হয়। বিয়ের বিষয়টি তিনি জানতে চাইলে তা অস্বীকার করেন। এবং বিষয়টি তার বাবাকে জানালে কয়েক মিনিটের মধ্যে তার নেতৃত্বে স্থানীয় যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম, সোহেল সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন লোক তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরবর্তীতে খুন জখমের ভয় দেখালে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য মিজান মুসুল্লি বলেন, আমি কুয়াকাটা থেকে আলীপুর থ্রি পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছে দেখি স্থানীয় আহসান হাবিব, শহিদুল হাওলাদার, ও সোহেল, ফরিদ নামের এ ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন। পরে জানতে পারলাম বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়।

এ বিষয়ে মেয়ের বড় ভাই ফরিদ বলেন, আমার বোন মাফিয়া এবং ওমর ফারুক নাবিলের ৪ মাস আগে ঢাকাতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর নাবিল আমার বোনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আজ আমার বোন জানতে পারে নাবিল অন্য জায়গায় বিয়ে করে। খবর পেয়ে আমাকে এবং আমার ছোট ভাইকে নিয়ে তার বাড়িতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে আমাদের দেখেই কোনো কথা না শুনে মারধর শুরু করেন, ছেলের বাবা ও তাদের কয়েকজন আত্মীয়। হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় এবং চোখের নিচে মারাত্মক আঘাত করেন।

এ বিষয়ে জানতে ছেলের বাবা আহসান হাবিবের মুঠোফোন কল দিলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোনের সংযোগটি বিছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক নাবিলে মুঠোফোন একাধিক বার কল দিলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি। 

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat