গত ২০০২২ সাল থেকে সাঈদ বাদশা পিতা কেরামত আলী আকন্দ, সাং রাধা কান্তপুর,পো- পাকুল্লা, সোনাতলা বগুড়া,।
সোনীয়া পিতা- আবু তাহের সাং- মুছা কান্দী পো: ভোলা,থানা- সদর, জে: ভোলা, দুজন একে অন্যের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বাদশা নানান টালবাহানা করে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করতে থাকে , সোনিয়া বিয়ের কথা বললেই বাদশা সোনিয়ার কাছ থেকে গোপনে অর্থসহ বিভিন্ন সুবিধা নিতে থাকে, এক পর্যায়ে সোনিয়ার দাবির মুখে বাদশা সোনীয়াকে গত ২৬/৬/২০২৪ ইং তিন লক্ষ টাকা কাবিনে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিবাহ করে,
কিন্তু বিয়ের পর থেকেই সাঈদ বাদশা সোনিয়াকে কখনো সাক্ষাতে মোবাইল ফোনে নতুন ফাঁদে খেলার চেষ্টা চালায়, বিয়ের পর থেকে বাদশা নিয়ে একসাথে কখনোই সংসার করিনি, তাই পুলিশ টাউনের পাশে এঞ্জেল সিটিতে বোন দুলা ভাইয়ের সাথে থাকতে লাগে, তখন সকলে বিষয়টি জেনে যায়, আজগর সোনিয়া দুলাভাই বাচ্চার বড় ভাই রাব্বির সাথে একই জায়গায় চাকরি করার কারণে বারবার চলার চেষ্টা করেন কিন্তু রাব্বিও বাদশা থাকে কোন ভাবে পাত্তা দেয় না।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায় রাব্বি ও বাদশা রাজ ফুলবাড়ীয়া এডভান্স পুলিশ টাউনের ফ্লাট ব্যবস্থাপনার কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত লিফট অপারেটর, সোনিয়ার দুলাভাই আজগর সাহেব ও পুলিশ টাউনে সহকারি ম্যানেজারের দায়িত্বে কর্মরত।
সোনিয়ার বক্তব্য থেকে এবং পুলিশ টাউনের কর্মচারীদের কাছ থেকে জানা যায় গত ৩০- ১- ২৫ ইং ধৈর্য হারা হয়ে সোনিয়া সরাসরি বাদশার সাথে কথা বলার জন্য পুলিশ তাউনের রিসিপশনে যায় তখন সোনিয়া বাদশা কে জিজ্ঞাসা করে জাহাঙ্গীরের বউ এর সাথে তোমার সম্পর্ক কি? তখন বাদশা সোনিয়াকে লোকজনের সামনে মারধর শুরু করে গোপন কথা ফাঁস হয়ে যাবে বলে রাব্বি ও বাদশা দুজনেই উপর্য্য পরিমাণে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং আশেপাশের সিকিউরিটি কর্মচারীরা তাদেরকে ওই মুহূর্তে বাধা দিয়ে সোনিয়াকে মার থেকে উদ্ধার করে। তখন বাদশা ও রাব্বি সোনিয়াকে হুমকি দিয়ে বলে - " আমরা পুলিশ রাউনে শামীম রাজি ও পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা তাদের লোক আমরা এমপি ইলেকশন করব অতএব তোদের এমন হাল করব সমাজের মুখ দেখাতে পারবি না "সোনিয়া শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়াতে লোকজন তাকে এঞ্জেলসিটির বাসায় পৌঁছে দেয়, এই ঘটনা সোনিয়াকে ও তার পরিবারকে হতাশ করে ফেলে তাই তারা গত ০১-০২-২৫ইং সবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সেবা গ্রহণ করে।
সবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জরুরি সেবা গ্রহণের পর সোনিয়া ও তার পরিবার পুলিশ টাউনের ফ্ল্যাট ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বরাবর দরখাস্তের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আবেদন করেন এবং পুলিশ টাউনের ফ্ল্যাট ম্যানেজমেন্ট কমিটির কর্মচারী ম্যানেজার মোহাম্মদ মান্নান ও অন্যান্যদের মাধ্যমে মীমাংসা করার চেষ্টা করে কিন্তু পিছনে আওয়ামী দোসর ও দালাল, প্রশাসন থেকে নারী কেলেঙ্কারির কারণে বহিষ্কৃত মোঃ শামীম ও আওয়ামী দালাল রাজিব এদের ক্ষমতায় উল্টো রাব্বি ও বাদশা আজগর ও সোনিয়াকে হুমকি দেয়,
সোনিয়া ও তার পরিবার হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে উপায়ান্তর না পেয়ে বিচারের আশায় শেষ ভরসা আদালতে আশ্রয় নেয়, আদালতে গত ০৯-০২-২৫ইং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -৯ ঢাকা, কোটে নারী ও শিশু পিটিশন মামলা নং ৭৭-২০২৫ ইং, নারী ও শিশু দমন আইনের ধারা ১১ (গ) ৩০ ধারায় মামলা দায়ের করে।
মামলার কথা বাদশাও রাব্বি জানা মাত্র তাদের আওয়ামী দোসর বহিষ্কৃত শামীম ও নির্দেশে বাদশা গত ১১- ২-২৫ ইং সোনিয়াকে রাস্তায় একলা পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য মেরে ফেলার হুমকি দেয় যাওয়ার সময় বলে যায় পুলিশ টা উনি আমাদের প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের লোকজন আছে তোরা বাঁচতে পারবি না ভাই তাড়াতাড়ি মামলা তুলে নে ,
সোনিয়া জীবনে নিরাপত্তার জন্য ১১/০২-২০২৫ সাভার থানায় নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ ডায়েরি করেন জিডি নং ১০১০- ১১/০২/২৫ইং।
অনুসন্ধানের একপর্যায়ে পুলিশ টাউন ও এঞ্জেল সিটির ঘটনা বিষয়ে জানে দেখেছে এমন ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে সোনিয়ার পরিবারের বক্তব্য থেকে জানা যায় পুলিশ টাউন বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দালাল এবং দোসর দ্বারা নিরীহ বহু লোক সোনিয়ার মতন নির্যাতিত অপমানিত হুমকির শিকার হয়েছে ,
সোনীয়ার দাবি অতিসত্বর এদের মত অত্যাচারী হুমকি দাতা নির্যাতনকারী অর্থলোভী আইনের আওতায় এনে জরুরি ভাবে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
এ জাতীয় আরো খবর..