×
সদ্য প্রাপ্ত:
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৬২ কোটি ঘনফুট ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের গতিবিধি এবং বহিরাগতদের ওপর নজরদারি করতে চালু হচ্ছে এআই ক্যামেরা ভারতসহ ১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের চার্জশিট দাখিল সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না: রাশেদ খাঁন ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-২১
  • ১১৮ বার পঠিত

ডেস্ক নিউজ

২০২৫ সালে ক্রিপটোকারেন্সি চুরিতে রেকর্ড গড়েছে উত্তর কোরিয়া। চলতি বছরে দেশটির হ্যাকাররা অন্তত ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ডিজিটাল সম্পদ চুরি করেছে। ব্লকচেইন তথ্য বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম চেইনঅ্যানালিসিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের বছরের তুলনায় উত্তর কোরিয়ার ক্রিপটো চুরির হার ৫১ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়ে সংঘটিত সব ধরনের ক্রিপটো সেবা সংশ্লিষ্ট হ্যাকিংয়ের ৭৬ শতাংশের জন্য দেশটিকে দায়ী করা হয়েছে। যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

প্রতিবেদন বলছে, বিভিন্ন ক্রিপটো এক্সচেঞ্জ, কাস্টডিয়ান ও ওয়েব থ্রি প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করে চুরি কার্যক্রম চালিয়েছে উত্তর কোরিয়ার আইটি কর্মীরা। প্রথমে তারা অভ্যন্তরীণ প্রবেশাধিকার তৈরি করে এবং পরে বড় অঙ্কের সম্পদ হাতিয়ে নেয়। চেইনঅ্যানালিসিস জানায়, এই কৌশল দ্রুত ও নিরাপদভাবে অর্থ পাচারে সহায়তা করছে।

বৃহস্পতিবার নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক ক্রিপটো চুরির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ক্রিপটো এক্সচেঞ্জ বাইবিটে সংঘটিত হামলায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার চুরি হয়। বিশ্লেষকদের দাবি, এই হামলার পেছনে ছিল উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হ্যাকার গ্রুপ লাজারাস।

চেইনঅ্যানালিসিসের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু ফিয়ারম্যান বলেন, চুরি করা অর্থ পাচারের জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা প্রায়ই চীনের মানি লন্ডারিং সেবার ওপর নির্ভর করে। এসব নেটওয়ার্ক অবৈধ অর্থ বৈধ করতে সহায়তা করে।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়া বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় সরাসরি লেনদেন করতে পারে না। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার নিষেধাজ্ঞা সামরিক ও অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় মেটাতে দেশটিকে অবৈধ পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে। গবেষকদের মতে, আদর্শগত উদ্দেশ্যে হামলা চালালেও এখন উত্তর কোরিয়ার সাইবার কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য অর্থ উপার্জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat