বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করে শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি মিশনগুলোতে সেবাগ্রহীতাদের প্রায় ৯৯ শতাংশই ই-পাসপোর্ট গ্রহণ করছেন।
গত ২৩ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব মিশন থেকে এমআরপি বন্ধ করে শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ সভায় বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, ২০১৮ সালে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুরনো এমআরপি যন্ত্রপাতি সচল রাখা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি ১ লাখ ৭ হাজার ১টি ই-পাসপোর্টের বিপরীতে মাত্র ১টি এমআরপি ইস্যু করা হয়েছে, যা প্রমাণ করে এমআরপির চাহিদা এখন নেই বললেই চলে। এতদিন প্রবাসী বাংলাদেশীদের এনআইডি সংক্রান্ত জটিলতা ও আকামা নবায়নের সুবিধার্থে এমআরপি চালু রাখা হলেও, তথ্য সংশোধনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে এখন চূড়ান্তভাবে এমআরপি গুটিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রবাসীদের সেবা দ্রুততর করতে সৌদি আরবে আরও আটটি মোবাইল এনরোলমেন্ট কিট (এমইকে) পাঠানোসহ ভারতের দিল্লি ও কলকাতায় দ্রুত ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈধ এমআরপি ধারীরা পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করে ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন।