ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীদের রুখতে পুলিশ বাহিনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ সাইবার ইউনিট গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সাইবার নিরাপত্তা জোরদার, আর্থিক খাতের হ্যাকিং প্রতিরোধ এবং অনলাইন কেন্দ্রিক জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ নিশ্চিত করাই হবে এই বিশেষায়িত ইউনিটের মূল লক্ষ্য।
আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ: বিশ্বমানের সাইবার ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ ট্র্যাকিং করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সাইবার স্পেসে বিশেষ নজরদারি: গুজব ছড়ানো, অনলাইন ব্যাংকিং ফ্রড, ব্ল্যাকমেইলিং এবং আন্তঃদেশীয় ডিজিটাল অপরাধ চক্রের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে।
বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ: এই ইউনিটের আওতায় পদস্থ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।
| খাত | বর্তমান অবস্থা | নতুন সাইবার ইউনিটের সক্ষমতা |
| কাঠামো | বিভিন্ন ইউনিটের অধীনে ছোট সাইবার সেল | স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত ইউনিট |
| ফরেনসিক সক্ষমতা | সীমিত ল্যাব ও টুলস | আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব |
| প্রতিক্রিয়া সময় | অভিযোগ প্রাপ্তি ও তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা | রিয়েল-টাইম রেসপন্স ও দ্রুত অভিযান |
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেট কেন্দ্রিক অপরাধ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই সনাতন পদ্ধতির পুলিশিং দিয়ে এই অদৃশ্য অপরাধীদের দমন করা প্রায় অসম্ভব। পুলিশের সাইবার ফ্রেমওয়ার্ক পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ডাটাবেজ তৈরি করা হবে, যা ভবিষ্যতে প্রতিটি থানা পর্যায়ে সাইবার সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।