পরিবারের রক্ত সম্পর্কের আত্মীয় বা স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও অন্য কোনো সহানুভূতিশীল ও স্বেচ্ছাসেবী ব্যক্তির (ইমোশনাল ডোনার) মাধ্যমে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের যুগান্তকারী মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা.
নতুন প্রণীত মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন বা অধ্যাদেশের অধীনে গঠিত বিশেষ জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির কঠোর যাচাই-বাছাই, চিকিৎসা মূল্যায়ন এবং আইনি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই 'ইমোশনাল ডোনারদের' কিডনি দানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে, যেখানে বাণিজ্যিক লেনদেন বা বলপ্রয়োগের সুযোগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রেখে সম্পূর্ণ মানবিক ও সেবামূলক মানসিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তের মিল না থাকা বা পরিবারের বাইরে উপযুক্ত দাতা পাওয়ার জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ধুঁকতে থাকা হাজার হাজার কিডনি রোগীর জন্য সরকারের এই সময়োপযোগী ও আধুনিক পদক্ষেপ এক নতুন জীবনের আশার আলো জাগিয়েছে এবং দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।