দেশের শিক্ষিত যুবসমাজের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বেকারত্ব সংকট, বারবার বিভিন্ন কারণে শিক্ষাজীবনে সেশনজট এবং উচ্চশিক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষ করে চাকরির বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার নির্মম বাস্তবতার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ন্যূনতম ৪০ বছর করার এক জোরালো ও সুনির্দিষ্ট দাবি উঠেছে।
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণী জীবনের অমূল্য সময় পড়াশোনায় ব্যয় করার পরও প্রচলিত কঠোর বয়সসীমার বেড়াজালে আটকে পড়ে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছেন উল্লেখ করে আন্দোলনরত প্রার্থীরা বলছেন যে, উন্নত বিশ্বের আদলে এবং দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অবিলম্বে বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
বিশ্লেষকরা এই দাবিকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও মানবিক হিসেবে অভিহিত করে মনে করছেন যে, দেশের যুবশক্তির সঠিক মেধা ও কর্মক্ষমতাকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হলে সরকারি চাকরির বয়সসীমা যৌক্তিক মানে উন্নীত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।