×
সদ্য প্রাপ্ত:
নোয়াখালীতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা “মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির তাণ্ডবে কুপোকাত রাজধানী” ইউরোপে রুশ ‘হাইব্রিড হামলার’ হুমকি বেড়েছে: ম্যাক্রোঁ বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর রাজধানীতে নাশকতা ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার,২০০'র বেশি চেকপোস্ট: ডিএমপি সৌদির রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা জারির পর শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ ৪৯৫ উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে অর্থ বিভাগ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জনের প্রাণহানি ফের বন্ধ চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-২০
  • ১৮ বার পঠিত


দেশের অর্থনীতি যখন নানা চ্যালেঞ্জ, মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে দেশের জন্য এক দারুণ আশাব্যঞ্জক ও স্বস্তিদায়ক খবর নিয়ে এসেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৯ দিনেই বৈধ বা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে প্রায় ২৩ হাজার ৮৭ কোটি টাকা (প্রায় ১.৯৩ বিলিয়ন ডলার)। দেশের চলমান অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের এই সংকটময় মুহূর্তে প্রবাসীদের পাঠানো এই বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতির ভিতকে আরও শক্ত করতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৯ দিনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ সন্তোষজনক। প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি আস্থা রেখে নিয়মিত অর্থ প্রেরণ করায় হুন্ডি বা অবৈধ চ্যানেলের দৌরাত্ম্য কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা।

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরিবার ও স্বজনদের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে বেশি করে অর্থ পাঠাচ্ছেন। ডলার সংকট নিরসনে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে ভালো এক্সচেঞ্জ রেট বা প্রণোদনা প্রদান করায় এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে বলে ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দেশের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বজায় রাখা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। মাসের শুরুতেই এই পরিমাণ রেমিট্যান্স আসা মানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস রিজার্ভ বা বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন কিছুটা স্বস্তিদায়ক অবস্থানে পৌঁছানো।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্সের এই ধারা মাসের বাকি দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকলে তা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) বিভিন্ন শর্ত পূরণ এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতেও এই প্রবাসী আয় বড় ধরনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও হয়রানিমুক্ত করায় প্রবাসীরা মানসিকভাবে উৎসাহিত হচ্ছেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) এবং আধুনিক ব্যাংকিং প্রযুক্তির ছোঁয়ায় প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ মুহূর্তের মধ্যে দেশের বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে, যা হুন্ডির মতো অবৈধ লেনদেনকে নিরুৎসাহিত করছে।

সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকেও বৈধ উপায়ে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে এবং এই ধারা বজায় রাখতে প্রণোদনা ও ব্যাংকিং সেবা আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat