স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৩ নম্বর দেউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মোঃ জাবেদ ইকবাল সোহেল। তিনি বর্তমানে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দেউলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাবেদ ইকবাল সোহেল সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সিদ্দিকুর রহমানের তৃতীয় সন্তান। সিদ্দিকুর রহমান দেউলা ইউনিয়নের বড়পাতা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং ভোলা-২ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
পারিবারিক রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা জাবেদ ইকবাল সোহেল দীর্ঘ সময় কানাডায় অবস্থান করেন। সেখানে থাকাকালেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানান। দেশে ফিরে ২০২৩ সাল থেকে নিজ এলাকায় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন তিনি।
রাজনীতির পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে তৃণমূলের নেতৃত্ব—জনসমর্থনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থী
এরপর থেকে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং স্থানীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে দেউলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। বিভিন্ন স্থানীয় প্রতিবেদনে তাঁকে দেউলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জাবেদ ইকবাল সোহেল বলেন, দেউলা ইউনিয়নের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা। জনগণের সমর্থন পেলে ইউনিয়নের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং শেষ পর্যন্ত দলীয় বা নির্বাচনী সিদ্ধান্ত কী হয়, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছে।
দেউলা ইউনিয়নের রাজনীতিতে তাঁর পারিবারিক পরিচয় যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট, তেমনি বর্তমান সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ও জনগণের সঙ্গে যোগাযোগও সামনে আসছে। এখন দেখার বিষয়—আগামী নির্বাচনে দেউলা ইউনিয়নের ভোটাররা কোন ধরনের নেতৃত্বকে সামনে আনতে চান এবং সেই প্রক্রিয়ায় জাবেদ ইকবাল সোহেলের অবস্থান কোথায় দাঁড়ায়।
এ জাতীয় আরো খবর..