রাজশাহী প্রতিনিধি:
ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের বেলপুকুরিয়া থেকে ঝলমলিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে ছোট-বড় খানাখন্দে ঢেকে গেছে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অস্থায়ী সংস্কার কাজকে সওজ প্রকৌশলী নিজেই ‘পেইনকিলার বা ব্যথানাশক ওষুধ’-এর সাথে তুলনা করে স্বীকার করেছেন যে, এই জরুরি মেরামতের স্থায়িত্ব অত্যন্ত কম
ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট: মহাসড়কের বেলপুকুরিয়া, বানেশ্বর, শিবপুর, বিড়ালদহ, পুঠিয়া সদর এবং ঝলমলিয়া এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে পিচ ও খোয়া উঠে ফাঁদ তৈরি হয়েছে
হাট ও অবৈধ যানবাহন: ব্যস্ততম বানেশ্বর হাটের কাছে মহাসড়কের ওপর প্রতিদিনের ধুলাবালি, সড়ক দখল করে বাজার বসানো এবং নিষিদ্ধ তিন চাকার ছোট যানবাহন অবাধে চলাচলের কারণে একদিকে তীব্র যানজট, অন্যদিকে নিত্য দুর্ঘটনা ঘটছে
প্রতক্ষ্যদর্শীর আকুতি: নাটোর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহী যাওয়ার পথে কোনোমতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া সাইফুল ইসলাম জানান, "এমন মহাসড়কে যদি এসব ভাঙাচোরা গর্ত থাকে, তবে দুর্ঘটনা কোনোভাবেই রোধ করা যাবে না
অস্থায়ী মেরামতে ৮০ লাখের ব্যয়: সওজ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ৪২৪ কিলোমিটার সড়কের জরুরি মেরামতের মালামাল ক্রয়ে খরচ হয়েছে প্রায় ৮০ লাখ টাকা
কর্মকর্তার বক্তব্য: রাজশাহীর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব জানান, জরুরি কাজের মেটেরিয়ালস খুব একটা টেকসই হয় না, এটি মূলত সাময়িক দুর্ঘটনা এড়াতে ‘পেইনকিলার’ হিসেবে কাজ করে