মোঃ বশির হাওলাদার, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
তালতলী (বরগুনা): বরগুনা জেলা বিএনপি কর্তৃক তালতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সফল সদস্য সচিব ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিঞা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাককে বহিষ্কারের প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই বহিষ্কারাদেশকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক ও বানোয়াট’ আখ্যা দিয়ে অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় জিয়াসৈনিক ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্যদের পক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বরগুনা জেলা বিএনপির গৃহীত এই সিদ্ধান্তে তালতলীর সর্বস্তরের জাতীয়তাবাদী পরিবার গভীরভাবে মর্মাহত, ক্ষুব্ধ এবং এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
নেতাকর্মীরা জানান, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক কোনো সুবিধাভোগী বা হঠাৎ গজিয়ে ওঠা নেতা নন। তিনি তিলে তিলে তালতলীতে জাতীয়তাবাদী দলকে সুসংগঠিত ও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গত ১৬ বছরে যখন বিএনপির ওপর নানাভাবে দমন-পীড়ন চলেছে, তখন তিনি রাজপথে বুক চিতিয়ে দলের হাল ধরেছিলেন। এ সময় একাধিকবার হামলা ও অসংখ্য মামলার শিকার হয়েও এবং কারাভোগ করেও তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অনুগত থেকেছেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজপথের এই ত্যাগী নেতা নিজের জীবন বাজি রেখে তালতলীর প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে বিএনপিকে সুসংগঠিত করেছেন। তাঁর কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ তালতলীতে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক-শ্রমিক ও জেলেরা তাঁকে ভালোবেসে 'তালতলীর নেলসন ম্যান্ডেলা' উপাধিতে ভূষিত করেছেন। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার বানিয়ে এই জনপ্রিয় নেতাকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে, যা কার্যত তৃণমূল বিএনপি ও দলের মূল আদর্শের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নামান্তর।
তৃণমূলের কর্মীরা এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত কখনো মেনে নেবে না উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, অনতিবিলম্বে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে মিঞা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাককে সসম্মানে দলে ফিরিয়ে আনতে হবে।
একই সাথে, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আবেগ ও ত্যাগের মূল্যায়নে এবং এই অবিচারের সঠিক বিচারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জরুরি সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..