×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত সব পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা তাহসিফ সউরি হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১১-০৪
  • ২৬ বার পঠিত
মোঃ আবুল সিকদার, ঢাকা:

​বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বুধবার চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের (সিআরসিসি) চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার) Dai Hegen-এর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদলের সাথে স্থানীয় সরকার বিভাগের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

​স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাঃ আবদুস সালাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামান এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বিশাল স্থানীয় সরকার কাঠামোর চিত্র তুলে ধরে বলেন, এলজিইডি, ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে দেশজুড়ে অবকাঠামো, পানি সরবরাহ, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ৫ শতাধিক উপজেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি কর্পোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, প্রায় ৪,৯০০টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ৬১টি জেলা পরিষদ বিস্তৃত রয়েছে। এই বৃহৎ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারা দেশে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।



​প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে, চীনা সরকারের সরাসরি অর্থায়নে কিংবা এডিবিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী ব্যাংকের অর্থায়নে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ ও ক্ষেত্র রয়েছে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন (ওয়েস্ট টু এনার্জি), পানি সরবরাহ এবং সড়ক ও সেতু নির্মাণ খাতে চীন সরকারের ক্রমাগত অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

​তিনি সিআরসিসির উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরকারের গ্রামকে শহরে রুপান্তরের রূপকল্প ও সার্বিক অবকাঠামো পুনর্গঠনে আপনাদের আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশাল অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে। ডিপিএইচই ও ওয়াসার অধীনে সুপেয় পানি সরবরাহ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ এবং ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণে পিপিপি মডেলে অথবা সরাসরি বিনিয়োগে সিআরসিসি এগিয়ে এলে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। যেকোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সহজতর করতে বর্তমান সরকার পূর্ণ সহায়তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

​চীনা প্রতিনিধিদলের পক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান Dai Hegen জানান, সারাবিশ্বে ১৫০টিরও বেশি দেশে বিস্তৃত এবং ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদসমৃদ্ধ সিআরসিসি দীর্ঘ দিন ধরে বৈশ্বিক ঠিকাদারি খাতে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাংলাদেশে বর্তমানে সংস্থাটির মোট ১.৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৪টি চলমান প্রকল্প রয়েছে। কক্সবাজার রেল সংযোগ প্রকল্প, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু এবং নদীর তীর পুনর্দখল ও অবকাঠামো নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছে সিআরসিসি।

​তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য শক্তি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সৌর বিদ্যুৎ ও গ্রামীণ আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী সিআরসিসি। বাংলাদেশের পল্লী ও শহর অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে সিআরসিসি একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat