×
সদ্য প্রাপ্ত:
এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-০৪
  • ২৩৪ বার পঠিত
নিশু সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক:


ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সম্মুখ বৈলর এলাকার মাকিমাবাদ আঃ কাদের (রাঃ) জিলানী দাখিল মাদ্রাসায় চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষকসহ অধিকাংশ শিক্ষকের দায়িত্বহীনতা ও হাজিরা জালিয়াতির কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
​এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক প্রতিদিন সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা মাদ্রাসায় অবস্থান করেন। তার এই খামখেয়ালিপনার প্রভাব পড়েছে অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যেও।
​হাজিরা খাতায় অনিয়ম ও জালিয়াতি
​অভিযোগ রয়েছে, ইংরেজি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম সপ্তাহে তিন দিনের বেশি ক্লাসে উপস্থিত থাকেন না। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষক পুরো মাসের উপস্থিতি একদিনেই সম্পন্ন করে ফেলেন। এমনকি সরকারি ছুটির দিনেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর (সিগনেচার) দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। শিক্ষকরা প্রায়শই একে অপরের হয়ে স্বাক্ষর করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
​নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১০টায় ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ শিক্ষক আসেন সকাল ১১টার দিকে এবং দুপুর ১২টার মধ্যেই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। নিয়মানুযায়ী বিকেল ৪টায় বের হওয়ার কথা থাকলেও, শিক্ষকরা পরের দিন এসে একসঙ্গে হাজিরা সম্পন্ন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
​শিক্ষকের প্রকাশ্যে দায়িত্বহীনতা
​শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার আরও এক প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বক্তব্য। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) মাদ্রাসার শিক্ষক হাতেম প্রকাশ্যে বলেন, “আজকেও ১টার মধ্যে চলে যাবো, দেখি কে কি করে।”— যা মাদ্রাসার সামগ্রিক শৃঙ্খলার অভাবকে তুলে ধরে।
​প্রধান শিক্ষকের সাফাই ও স্থানীয়দের দাবি
​এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক সাংবাদিকদের জানান, “বিল্ডিং নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় কিছুটা বিশৃঙ্খলা হচ্ছে।”
​তবে এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষকের এই অজুহাত মানতে নারাজ। তাদের দাবি, এই অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে এবং শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত শিক্ষা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat