×
সদ্য প্রাপ্ত:
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১৪
  • ১৬৫ বার পঠিত
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে দেওয়ানবাজারস্থ জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পরিকল্পিতভাবে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়। শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী ও লেখকসহ সহস্রাধিক বুদ্ধিজীবী এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এটি ছিল মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ।

তিনি বলেন, একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা গোটা মানবজাতিকে হত্যার শামিল। অথচ আজও বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য উদঘাটন হয়নি। তদন্ত কমিশন গঠন করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানান তিনি।

নগর আমীর বলেন, হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধের পাশাপাশি ভুয়া বয়ান তৈরি করে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করাও মারাত্মক অপরাধ। দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তিকর বর্ণনার মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিচারিক হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, বিভিন্ন গবেষণা ও প্রকাশিত বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ডের সময় ঢাকার নিয়ন্ত্রণ ছিল ভারতীয় বাহিনীর হাতে। ফলে প্রকৃতপক্ষে কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা আজও প্রশ্নবিদ্ধ। তাঁর মতে, হত্যাকাণ্ডের দায় তদন্তের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।

তিনি দাবি করেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের একটি বড় অংশ ছিলেন পাকিস্তান রাষ্ট্রের ঐক্যের পক্ষে অবস্থানকারী। এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের হত্যা করবে—এমন ধারণা প্রশ্নবিদ্ধ। বরং পরিকল্পিতভাবে অন্য কেউ পাকিস্তানি বাহিনীর নাম ব্যবহার করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, ডবলমুরিং থানা আমীর ফারুকে আজম, চকবাজার থানা আমীর আহমদ খালেদুল আনোয়ার, কোতোয়ালি থানা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুজ্জাহের প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ।
এসময় মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat