দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব)। একইসঙ্গে র্যাবের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ‘এসআরবি বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আইনমন্ত্রীর উত্থাপিত বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিশেষায়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নতুন করে পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে:
র্যাবের বিলুপ্তি ও নতুন বাহিনী: বিলটি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে র্যাবের বিদ্যমান কাঠামো ও আইনি ক্ষমতা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হবে এবং নতুন গঠিত এসআরবি (SRB) তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।
বেসামরিক ও বিচারিক নজরদারি: এসআরবি-র প্রতিটি অভিযান, গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে কঠোর বিচারিক নজরদারি ও মানবাধিকার কমিশনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
সদস্য নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ: নতুন এই বাহিনীতে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর দক্ষ সদস্যদের মানবাধিকার ও বিশেষায়িত কৌশলগত প্রশিক্ষণ প্রদান করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বিল পাসের পর আইনমন্ত্রী সংসদে জানান, আধুনিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষ অপরাধ দমনে এসআরবি ভূমিকা রাখবে। সাবেক র্যাবের মানবসম্পদ ও লজিস্টিকস কীভাবে স্থানান্তর করা হবে, তার একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে এবং নতুন আইনের অধীনে গেজেট প্রকাশের পর এসআরবির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।