×
সদ্য প্রাপ্ত:
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১২
  • ২০ বার পঠিত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)।

আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোলার লালমোহন উপজেলায় স্থানীয় সুশীল সমাজ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গুমের ঘটনা ও অভিনয়ের অভিযোগ

বক্তব্যকালে স্পিকার সাবেক সরকারের আমলের বিভিন্ন গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনার ভূমিকার সমালোচনা করেন:

  • স্বজনদের সান্ত্বনা ও অন্তরালের বাস্তবতা: মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, "গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজন ও শিশুদের গণভবনে ডেকে তাদের মাথায় হাত বুুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন শেখ হাসিনা। তিনি আশ্বস্ত করতেন তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার, অথচ তার ভেতরেই লুকিয়ে থাকত গুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার হিংস্র মনোভাব। গুম হওয়া ব্যক্তিরা কোথায় ছিলেন, তা তিনি নিজেই জানতেন।"

  • আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ও প্রমাণ: তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে উন্মোচিত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও বন্দিশালা সম্পর্কিত তথ্যের ভিত্তিতে জনগণের কাছে এখন এটি স্পষ্ট যে শেখ হাসিনা নিজেই এসব গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন।

  • দীর্ঘ বন্দিদশার উদাহরণ: বিগত সরকারের আমলে একজন সুযোগ্য ব্যরিস্টারকে ৮ বছর হ্যান্ডকাফ পরিয়ে গোপন বন্দিশালায় (আয়নাঘর) রেখে নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পরই কেবল তিনি মুক্তি পান এবং বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

বিগত সরকারের দুর্নীতি ও স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতা

বক্তব্যে তিনি আগের মেয়াদের অর্থনৈতিক অনিয়ম ও স্থানীয় সন্ত্রাসের চিত্র তুলে ধরেন:

  • মেগা প্রকল্পে রশদ দুর্নীতির চিত্র: বিগত আমলে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে চরম অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে একটি বালিশের দাম ৬০ হাজার টাকা এবং পর্দার দাম ৪২ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। সাবেক এক মন্ত্রীর বিদেশে শত শত বাড়ি থাকার ঘটনা উন্মোচিত হওয়া প্রমাণ করে কীভাবে দেশের সম্পদ লুটে নেওয়া হয়েছে।"

  • লালমোহনের বিগত পরিস্থিতি: ২০১০ সালের উপনির্বাচন ও স্থানীয় সন্ত্রাসের স্মৃতিচারণ করে স্পিকার বলেন, সাবেক সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধিরা দিনেদুপুরে বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর রামদা নিয়ে হামলা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালিয়েছিল।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat