স্থানীয় সরকার কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে বিবেচিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনগুলোর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও আইনি ধারাবাহিকতা কঠোরভাবে রক্ষা করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃঢ় নির্দেশ প্রদান করে জানিয়েছেন যে, আগামী বছরের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ৬ জুনের আগেই দেশের সমস্ত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচন প্রস্তুতিমূলক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন যে, নির্ধারিত আইনি সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত না হলে মাঠপর্যায়ের স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা, নেতৃত্ব সংকট ও জটিলতা দেখা দিতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং এই সম্ভাব্য সংকট এড়াতে নির্বাচন কমিশনের পুরো মাঠ প্রশাসনকে এখন থেকেই সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
নির্বাচনী কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, আইনগত শৃঙ্খলা এবং ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য, উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই কমিশন এই কড়া সময়সীমা নির্ধারণ করেছে এবং সেই অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি চূড়ান্ত করার জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।