×
সদ্য প্রাপ্ত:
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১৯
  • ৪৭ বার পঠিত

দেশের মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে একটি নতুন ও যুগোপযোগী জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো গুঞ্জন ও নীতিগত আলোচনার অংশ হিসেবে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণের একটি প্রস্তাব সামনে এসেছে, যা প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার বাস্তবসম্মত হিসাব মাথায় রেখে বেতন বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত এই কাঠামোতে গ্রেডভিত্তিক বেতনের বড় ধরনের তারতম্য কমানোর পাশাপাশি নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রের সেবা প্রদানকারী কর্মচারীরা সততা ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, এই ধরনের বেতন পুনর্গঠন কেবল সরকারি চাকরিজীবীদের সামাজিক মর্যাদাই বৃদ্ধি করবে না, বরং সামগ্রিক বাজারে টাকার প্রবাহ ও অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে প্রভাবিত করবে; তবে এর ফলে সরকারের বাজেটের ওপর যে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে, তা সামাল দিতে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং অপচয় রোধের কঠোর নীতি গ্রহণ করা অপরিহার্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat