×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা মিরপুরে হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন নাইজেরিয়ায় ২৫ লাখ আফিম ট্যাবলেট জব্দ, ভারত ও বাংলাদেশ থেকে পাচারের দাবি হাম উপসর্গে ২৪ ঘন্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সন্ত্রাসীদের ভাঙচুর-লুটপাট
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-৩০
  • ৪৮ বার পঠিত

হাতে একটি স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের সংযোগ থাকলেই এখন খুব সহজে একটি ফেসবুক পেজ বা আইডি খুলে ভিডিও কিংবা মনগড়া তথ্য প্রচার করা যাচ্ছে। রাতারাতি নিজেকে ‘সাংবাদিক’ বা ‘সংবাদকর্মী’ হিসেবে পরিচয় দেওয়ার এই প্রবণতা দেশের মূলধারার গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকতার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—ফেসবুক পেজ বা চ্যানেল খুললেই কি প্রকৃত সাংবাদিক হওয়া যায়? নাকি এর নেপথ্যে নষ্ট হচ্ছে সাংবাদিকতার মূল নীতিমালা ও নৈতিকতা?

অনিয়ন্ত্রিত তথ্যপ্রবাহ ও অপসাংবাদিকতার দৌরাত্ম্য:

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মূলধারার গণমাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের প্রবণতা হু হু করে বেড়েছে। তথneর দ্রুত বিস্তার ঘটলেও এর সত্যতা যাচাই বা এডিটিংয়ের কোনো বালাই থাকছে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিউ বা রিচ বাড়ানোর লোভে সংবেদনশীল শিরোনাম দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে সমাজে একদিকে যেমন গুজবের বিস্তার ঘটছে, অন্যদিকে অবমূল্যায়িত হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের মেহনত ও পেশাগত মর্যাদা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাংবাদিকতা কেবল কিছু তথ্য বা ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করার নাম নয়। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে বস্তুনিষ্ঠতা, ক্রস-চেক বা তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি, সম্পাদকীয় নীতিমালা এবং সুনির্দিষ্ট আইনি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই অনেকেই নিজেদের সংবাদমাধ্যম দাবি করছেন।

সরকারের কড়া অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ:

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অনিয়ন্ত্রিত অপসাংবাদিকতা ও ভুঁইফোড় পোর্টালের দৌরাত্ম্য নিয়ে সম্প্রতি নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজবসর্বস্ব পেজগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অর্থ এই নয় যে, যার যা খুশি তাই প্রচার করে সমাজে বিশৃঙ্খলা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হবে।

পেশাদারিত্ব রক্ষায় করণীয়:

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। এর একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ, নীতিমালা এবং এথিকস বা নৈতিকতা রয়েছে। কেবল একটি ফেসবুক পেজ খুলে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া মানেই সাংবাদিক হওয়া যায় না। অপসাংবাদিকতার এই গ্রাস থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে যেমন প্রশাসনিক নজরদারি বাড়াতে হবে, তেমনি সাধারণ পাঠকদেরও তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat