দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষে ফেনীতে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ কাজের ঐতিহাসিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম ফেনী সফর।
প্রকল্পের বিস্তারিত দিক:
মেগা কর্মযজ্ঞ: একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৮ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, সাড়ে ৮৩ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, প্রায় ১২ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ এবং একটি হাইড্রোলিক এলিভেটেড ড্যাম নির্মাণ করা হবে।
ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা: ফেনীর এই ১২২ কিলোমিটার বাঁধের কাজ ঐতিহাসিকভাবে শুরু হয়েছিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলে। দীর্ঘ সময় পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এর আধুনিকায়ন ও বিস্তৃত রূপায়ন শুরু হলো।
প্রত্যাশা: এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ফেনীর বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে এবং কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটবে।
দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচি:
পরশুরামে প্রকল্পের উদ্বোধনের পর ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সেবায়েত, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাঝে সম্মানি ভাতা প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।