×
সদ্য প্রাপ্ত:
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-০৭
  • ২২ বার পঠিত
 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত হোটেল শৈবালের সমুদ্রসৈকত ও ঝাউবনসংলগ্ন বিস্তৃত প্রাঙ্গণে এ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালনায় আয়োজিত এ কার্নিভালে দিন ও রাতে পর্যটকদের জন্য থাকছে নানা ধরনের বিনোদন, খেলাধুলা, খাবার, সাংস্কৃতিক আয়োজন, অ্যাডভেঞ্চার ও পারিবারিক কার্যক্রম।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, কক্সবাজারে প্রতিবছর দেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আশানুরূপ বাড়ছে না। পর্যটকদের অন্যতম অভিযোগ-সমুদ্রসৈকত উপভোগের পর বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিনোদনমূলক কার্যক্রমের সুযোগ সীমিত। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রথমবারের মতো তিন মাসব্যাপী দিন-রাতের নানা আয়োজন নিয়ে এ কার্নিভালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কার্নিভালে থাকছে ফুড জোন, মার্কেট জোন ও ক্র্যাফট ভিলেজ, ওয়েলনেস জোন, কিডস জোন এবং ক্যাম্পিং জোন। ফুড জোনে দেশি-বিদেশি খাবার, লাইভ ফুড স্টল, বারবিকিউ, আইসক্রিম ও জুসের আয়োজন থাকবে।

মার্কেট জোন ও ক্র্যাফট ভিলেজে পোশাক, অলংকার, মাটির পণ্য এবং স্থানীয় কারিগরদের হাতে তৈরি বিভিন্ন শিল্পপণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা থাকবে। ওয়েলনেস জোনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে যোগব্যায়াম ও মেডিটেশনের আয়োজন করা হবে। শিশুদের জন্য কিডস জোনে থাকবে আর্ট, নিরাপদ রাইডসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম।

ক্যাম্পিং জোনে থাকছে নাইট-স্টে ক্যাম্পিং, ওপেন-স্কাই লাইব্রেরি, সেলফ-বারবিকিউ, হ্যামক, ক্যাম্পফায়ার এবং টেলিস্কোপে তারাভরা আকাশ দেখার সুযোগ।

এ ছাড়া কার্নিভালে থাকছে লাইভ আর্ট ও ফটো গ্যালারি, ওপেন-স্কাই মুভি থিয়েটার, ভিআর জোন, সার্কাস টেন্ট, কায়াকিং, লাইভ বাস্কিং, গো-কার্ট, বিচ ফুটবল, বিচ হ্যান্ডবল, বিচ ভলিবল, বিচ কাবাডি, ব্যাডমিন্টন ও স্যান্ড স্কাল্পচার।

বিশেষ দিনগুলোতে বিজয় দিবস, বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে থাকছে বিশেষ আয়োজন। পাশাপাশি বিচ ভিউ ওপেন থিয়েটারে ‘ওয়েভ অব মিউজিক’ শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠানে সমুদ্রের সামনে সূর্যাস্তের আবহে সংগীত উপভোগের সুযোগ থাকবে।

ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. গনী উল আজম। তিনি কার্নিভালের বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু একটি কার্নিভাল আয়োজন করতে চাই না। আমরা চাই, কক্সবাজারের পর্যটন অভিজ্ঞতায় একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হোক। সমুদ্র থাকবে, সূর্যাস্ত থাকবে, ঝাউবন থাকবে-এর সঙ্গে যুক্ত হবে খাবার, সংগীত, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, অ্যাডভেঞ্চার এবং পারিবারিক বিনোদন।’

তিনি জানান, কার্নিভালের বিভিন্ন আয়োজনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব, বৃহত্তর কক্সবাজার অঞ্চলের সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

কার্নিভাল বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুল আরেফিন পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে কার্নিভালের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারকে আরও বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয়ভাবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সামনে তুলে ধরতেই এ কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে বিদেশি পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারকে নতুন ও ব্যতিক্রমীভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের এ আয়োজন কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করবে।

চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, তিন মাসব্যাপী এ আয়োজনের ফলে পর্যটকরা সমুদ্র উপভোগের পাশাপাশি দিন ও রাতে বিভিন্ন ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নেও এ আয়োজন ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারকে একটি প্রাণবন্ত, বৈচিত্র্যময়, নিরাপদ, টেকসই এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করতে এই কার্নিভাল আয়োজন করা হচ্ছে।’

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক, মহাব্যবস্থাপকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat