নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
অন্যায়কারীর কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না উল্লেখ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত অবশিষ্ট অপরাধী ও মূলহোতাদের খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর: প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে যেন কেউ কোনো ধরনের অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্র চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার: রাড্ডাকাণ্ডের ঘটনায় শাহ আলী থানায় ২০০-২৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত পুলিশ ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং লুট হওয়া বেশ কিছু মালামালও জব্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মিরপুর ১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। প্রায় দুইশ লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে একটি টিনশেড ও তিনটি সেমিপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেয় এবং আল্ট্রাসাউন্ড কক্ষ, টিকাদান কক্ষ ও ল্যাবরেটরি ভাঙচুর করে। এ সময় আল্ট্রাসোনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, এসি, কম্পিউটার ও ওষুধপত্রসহ কোটি টাকার বেশি মূল্যের সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাসামগ্রী লুট করা হয়। হামলাকারীরা যাওয়ার সময় সেখানে ‘সমমনা দোকানদার সমিতি লিমিটেড’-এর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছিল।
বর্তমানে পুরো ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।