×
সদ্য প্রাপ্ত:
পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ
  • প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১৩
  • ২২ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ছয় বছর পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার দানবাক্সগুলো থেকে প্রায় ২৫ কেজি সোনা-রুপা এবং ১৭টি দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এসব মূল্যবান সামগ্রীর ক্যারেট যাচাই, ওজন নির্ধারণ ও মুদ্রা গণনার কাজ সম্পন্ন হয়।

জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন অভিজ্ঞ সদস্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানা যায়, জমা পড়া সোনা ও রুপার মধ্যে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণালংকার (প্রায় ১২.১৮ কেজি) এবং ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা (প্রায় ১২.৬৯ কেজি) রয়েছে। সব মিলিয়ে দানবাক্সে প্রাপ্ত সোনা ও রুপার মোট ওজন দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪.৮৭ কেজি।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে এসব মূল্যবান অলংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে ৯টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ৬টি সিলগালা করা খামে সংরক্ষিত ছিল।

সোনা ও রুপার পাশাপাশি দানবাক্সে ১৭টি দেশের নগদ বৈদেশিক মুদ্রাও মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮ হাজার ৫৭ মার্কিন ডলার, ৫৭ হাজার ৪১৪ সৌদি রিয়াল, ৩৭ হাজার ৮৭৭ ভারতীয় রুপি, ২৯ হাজার ৬৬২ মালয়েশীয় রিঙ্গিত, ১৪ হাজার ২৪০ আমিরাতি দিরহাম, ৫ হাজার ২৪৫ ইউরো এবং ১ হাজার ২২০ ব্রিটিশ পাউন্ড। এছাড়া কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালদ্বীপ ও চীনের ২ হাজার ৬৬৭টি ধাতব মুদ্রা (কয়েন) পাওয়া গেছে।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের একটি উপকমিটির সার্বিক পরিচালনায় মুদ্রা ও অলংকার গণনার কাজটি শেষ হয়েছে। এসব স্বর্ণালংকার ও রুপার আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করে দ্রুত উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রাগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী টাকায় রূপান্তর করে মসজিদ ফান্ডে জমা করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা হওয়া ৪১৫ ভরি সোনা ও ১৮৪ ভরি রুপা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat