স্বাস্থ্য ব্যুরো:
আগামী অর্থবছরের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক চেহারা আমূল পরিবর্তন করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকার দেশের স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার (Priority) দিচ্ছে এবং একটি সুঠাম ও সুস্থ জাতি গঠন ছাড়া দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব নয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল: দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার জন্য প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষায়িত ইউনিট ও শয্যা বরাদ্দ: প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের জন্য ২০টি, নবজাতকদের জন্য ২০টি এবং কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের সুবিধার্থে ১০টি ডেডিকেটেড শয্যার ব্যবস্থা রাখা হবে।
আঞ্চলিক ক্যানসার হাসপাতাল ও গবেষণা: দেশের ৮টি বিভাগে ৮টি পূর্ণাঙ্গ ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ক্যানসার বিষয়ক গবেষণায় সরকার সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।
ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের উৎপাদিত মানসম্মত ওষুধ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং নিকট ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও বাংলাদেশি ওষুধের আধিপত্য তৈরি হবে।
বিগত দিনের অব্যবস্থাপনা দূরীকরণ: বিগত বছরগুলোতে স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া এবং দুর্নীতির পাহাড় গড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সকল অব্যবস্থাপনা দূর করে সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।