বিএম সজিব, (শরীয়তপুর) জেলা প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের সখিপুর থানার মল্লিক কান্দি জমির ধানের নাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে নারীসহ একই পরিবারের কয়েকজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সখিপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাহিদা আক্তার (৩০) অভিযোগে একজনের মাথায় ১৮টি সেলাই দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা যায়, সখিপুরের মল্লিক কান্দি এলাকার নূর খানের স্ত্রী সাহিদা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার রাজন মোল্লা (৪০), কালু মোল্লা (৩৮) ও মিতু আক্তারসহ কয়েকজনের বিরোধের সৃষ্টি হয়। গত ৩০ অক্টোবর জমির ধান কাটার পর ধানের নাড়া নিয়ে এ বিরোধের সূত্রপাত। অভিযোগ অনুযায়ী, রাজন মোল্লা সাহিদার জমির ধানের নাড়া কেটে নিজের জমিতে নিয়ে যান।
গত ২ নভেম্বর বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সাহিদা আক্তার নিজের জমিতে ধানের নাড়া আনতে গেলে রাজন মোল্লার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় মিতু আক্তারসহ অন্যরাও হামলায় অংশ নেন বলে অভিযোগ করেন সাহিদা। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে দাবি তাঁর।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। তাঁদের মধ্যে একজনের মাথায় ১৮টি সেলাই দিতে হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রাজন মোল্লা বলেন, “কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ নিয়ে মুরুব্বিদের সঙ্গে কথা বলছি। তাঁরা মীমাংসা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন।”
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, “এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..