×
সদ্য প্রাপ্ত:
ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ: এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি দেশের পাঁচ অঞ্চলে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৬২ কোটি ঘনফুট ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের গতিবিধি এবং বহিরাগতদের ওপর নজরদারি করতে চালু হচ্ছে এআই ক্যামেরা ভারতসহ ১০ দেশের ওপর শতভাগ শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের চার্জশিট দাখিল সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না: রাশেদ খাঁন ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-০৯
  • ২৪৭ বার পঠিত
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে কুলিক নদীর মুল ধারাকে দখলমুক্ত করা এবং প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র রক্ষায় রাণীশংকৈল উপজেলা কুলিক নদী সুরক্ষা কমিটির ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে শনিবার (৯ মার্চ) উপজেলা পরিষদ মূল ফটকে কুলিক নদী সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ'লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক, কুলিক নদী সুরক্ষা সকমিটির সদস্য সচিব এ্যাভোকেট মেহেদী হাসান শুভ, সাবেক পৌর আ'লীগ সাধারণ সম্পাদক রফিউল ইসলাম (ভিপি) প্রেসক্লাব সভাপতি মোবারক আলী,প্রেসক্লাব (পুরাতন) সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, সহ-সভপতি হুমায়ুন কবির,স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক আরথান আলী, যুগ্ন সম্পাদক জাকারিয়া হাবিব ডন, ছাত্রলীগ নেতা তামীম হোসেন প্রমুখ। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কুলিক নদী সুরক্ষার জন্য রাণীশংকৈল পৌরসভার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত 'কুলিক' নদীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে খননকার্য পরিচালনা করিয়া নদীর গভীরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা। নদীর দুই পাড়ের ভাঙ্গন রোধে ব্লকপাথর দিয়ে বাধাঁই করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।  

কুলিক নদীর দুই পাড়ে পর্যাপ্ত বৃক্ষ রোপন করার মাধ্যমে বনায়ন কার্যক্রম সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন।নদীর দুই পাড়ের দখল উচ্ছেদ করিয়া নদীর সৌন্দর্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুলিক নদীকে পর্যটক বান্ধব নদীতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন। কুলিক নদীর পানিকে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহন করা।

পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য কুলিক নদীতে ফেল্য হইতে বিরত থাকা হিসেবে ব্যবহার না করা।অতিথি পাখির নিরাপদ অবস্থান অথবা অনিশ্চিত গ্রহন করা। যেহেতু বাংলাদেশের নদ-নদী সমৃহ দেশের জাতীয় সম্পন্ন এবং নদীর অবৈধ দখল, পানি ও পরিবেশ দূষন, শিল্প কারখানা কর্তৃক সৃষ্ট নদী দূষন, অবৈধ অবকাঠামো নির্মান ও নানাবিধ অনিয়ম রোধকল্পে এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার ও নদীর যথাযথ রক্ষনাবেক্ষন নিশ্চিতবঙ্গে বিধি বিধান রহিয়াছে বিধায় বর্ণিত বিধানাবলী তৎসম যথাযথ বিধানাবলী প্রয়োগের মাধ্যমে কুলীক নদীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরী এবং সময়ের দাবী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat