×
সদ্য প্রাপ্ত:
আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১২-১০
  • ১৮৮ বার পঠিত
এমরান,আত্রাই(নওগাঁ)থেকে :
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য প্রাচীন কৃষি সেচ যন্ত্র দোন কিংবা সেঁউতি আজ বিলুপ্তি প্রায়। 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে দেশের প্রতিটি শাখায় এখন আধুনিকায়নের ছোঁয়া। আর সেই আধুনিক প্রযুক্তির যান্ত্রিক সভ্যতার যাঁতাকলে দেশ থেকে প্রায় বিলুপ্তির পথে প্রাচীন সব কৃষি সেচ যন্ত্র। 
এর মধ্যে বিলুপ্ত প্রায় কৃষি কাজে এক সময়ের কৃষকের পানি সেচের দোন কিংবা সেঁউতি। 

টিন বা বাঁশ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহি এ সেঁউতি আগেকার দিনে ফসলী জমিতে পানি সেচ ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হতো। এক সময় গ্রাম বাংলার কৃষিতে সেচযন্ত্র হিসেবে সেঁউতির ব্যাপক চাহিদা ছিলো। টিন আর বাঁশের চাটাই দিয়ে তৈরি সেঁউতি দুই দিকে রশি লাগিয়ে খাল বা নিচু জমি হতে উপরে পানি তোলা হতো। আর উঁচু নিচু জমিতে পানি সেচ দিতে সেচযন্ত্র টিনের সেঁউতি ছিল অতুলনীয়। 

এটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা প্রাচীন যুগেই আবিস্কার করেছিল।টিন আর বাঁশ দিয়ে ত্রিকোণ আকৃতির দুই দিকে রশি লাগিয়ে দুজন মানুষ মিলে পানি সেচ করা হতো। এতে করে পানি সেচ দিতে শ্রমিক ব্যতীত অতিরিক্ত কোন প্রকার খরচ হয় না। 

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ ইউনিয়নের দমদমা গ্রামের কৃষক মেহের আলী (৬৫) জানিয়েছেন, সেঁউতি দিয়ে সেচ দেওয়া খুব মজার কাজ। একটি টিন ও বাঁশ দিয়ে খুব সহজে তৈরি করা যেত।বাপ দাদা সহ জমিতে গিয়ে দু'জন মিলে দুই দিকে রশি লাগিয়ে নিচে থেকে পানি উপরে তুলে উঁচু জমি গুলো সেচ দিতাম।সেঁউতি তৈরিতে তেমন খরচ হতো না।বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রপাতি আগমনে আর চোখে পড়েনা সেঁউতির ব্যবহার।


উপজেলা সদরের মোল্লা আজাদ সরকারি কলেজের একাদশ দ্বাদশ  শ্রেনির ছাত্র মো.মিনহাজ, নয়ন কুমার,মামুনুর রশীদ,মারিয়া বিনতে নুর সহ অনেকে জানান,তাঁরা কখনো সেঁউতি দেখেনি। তবে বই পড়ে জেনেছেন, কয়েক যুগ আগে ও এটি কৃষি কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব জনপ্রিয় ছিলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat