×
সদ্য প্রাপ্ত:
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি হাজার ছাড়াল বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট ফতুল্লায় মাদকের আস্তানায় অভিযানে আগুন—পুলিশের কড়া অভিযানে পুড়ল অপরাধের ঘাঁটি! রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভয়াবহ আগুন, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-১১
  • ১১৬ বার পঠিত
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত। এটি মূলত গ্রামীণ জনগণের ক্ষুদ্র বিরোধ ও মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত একটি স্থানীয় মীমাংসামূলক বা সালিশি আদালত। গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ এর অধীনে এর কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এটি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, একটি গ্রাম আদালত গঠিত হয় একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয় পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করে মোট পাঁচজন সদস্য নিয়ে। তবে প্রত্যেক পক্ষের মনোনীত দুই সদস্যের মধ্যে অন্তত একজন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হতে হয়।

গ্রাম আদালত তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ক্ষুদ্র ফৌজদারি অপরাধসমূহে রায় দিতে পারে। আদালত কোনো ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে গ্রাম আদালতে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন—

অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্বে অন্য কোনো আদালতে আদালতগ্রাহ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকলে,

কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের স্বার্থ জড়িত থাকলে,

পক্ষগণের মধ্যে পূর্বে সালিশি চুক্তি সম্পন্ন থাকলে,

মামলায় সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি কর্মচারী পক্ষ হলে,

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat