×
সদ্য প্রাপ্ত:
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা মিরপুরে হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন নাইজেরিয়ায় ২৫ লাখ আফিম ট্যাবলেট জব্দ, ভারত ও বাংলাদেশ থেকে পাচারের দাবি হাম উপসর্গে ২৪ ঘন্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সন্ত্রাসীদের ভাঙচুর-লুটপাট সাইবার অপরাধ দমনে ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব বৃদ্ধির উদ্যোগ
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১১-১১
  • ১২১ বার পঠিত
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত। এটি মূলত গ্রামীণ জনগণের ক্ষুদ্র বিরোধ ও মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত একটি স্থানীয় মীমাংসামূলক বা সালিশি আদালত। গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ এর অধীনে এর কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এটি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, একটি গ্রাম আদালত গঠিত হয় একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয় পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করে মোট পাঁচজন সদস্য নিয়ে। তবে প্রত্যেক পক্ষের মনোনীত দুই সদস্যের মধ্যে অন্তত একজন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হতে হয়।

গ্রাম আদালত তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ক্ষুদ্র ফৌজদারি অপরাধসমূহে রায় দিতে পারে। আদালত কোনো ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে গ্রাম আদালতে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন—

অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্বে অন্য কোনো আদালতে আদালতগ্রাহ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকলে,

কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের স্বার্থ জড়িত থাকলে,

পক্ষগণের মধ্যে পূর্বে সালিশি চুক্তি সম্পন্ন থাকলে,

মামলায় সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি কর্মচারী পক্ষ হলে,

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat