স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, নারী ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং নিরাপদ পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।
আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎকালে এই আগ্রহের কথা ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আলোচনার প্রধান দিকসমূহ:
স্থানীয় সরকার ও গণতান্ত্রিক সংস্কার: বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি জানান, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ও দলীয় মনোনয়নের বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে।
বর্জ্য ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা: শহরাঞ্চলে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র: নিরাপদ পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংকালে জানানো হয় যে, বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সার্বিক সংস্কার ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে।