×
সদ্য প্রাপ্ত:
পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কে প্রবাসীদের গাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকসহ গ্রেফতার ৩, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত সব পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা তাহসিফ সউরি হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি তুরাগে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়, ঘটনাস্থলের কাছেই মিলল মোটরসাইকেল
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১৪
  • ৬৩ বার পঠিত


 চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমোরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ (এনসিটি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল বিদেশী অপারেটরদের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বন্দর রক্ষা পরিষদ এবং সর্বস্তরের শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনগুলো। জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিদেশি রাষ্ট্রীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থাকে টার্মিনাল হস্তান্তরের এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধের দাবিতে রাজপথে ধারাবাহিক অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে তারা।

আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার বাইরে আয়োজিত এক জরুরি যৌথ সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আন্দোলনকারী নেতারা এই নতুন কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরেন।

ঘোষিত কর্মসূচির মূল বিষয়সমূহ

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারী নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, দেশীয় সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের লাভজনক ও কৌশলগত অবকাঠামো বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। এর প্রতিবাদে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়:

  • ধারাবাহিক অবস্থান কর্মসূচি: আগামী সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এবং বিভিন্ন টার্মিনাল গেটে ধাপে ধাপে শান্তিপূ্র্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

  • স্মারকলিপি প্রদান: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর অবিলম্বে ইজারা চুক্তি প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।

  • কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি: দাবি না মানা হলে পরবর্তীতে কাস্টমস, লজিস্টিকস ও পরিবহন মালিকদের সাথে আলোচনা করে পুরো চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি এবং বন্দর অচলের মতো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আন্দোলনকারীদের মতে, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। বিদেশি সংস্থাকে ইজারা দেওয়ার ফলে যেসব বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে:

দেশের প্রধান প্রবেশদ্বারের পরিচালনা ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিদেশি সত্তার হাতে গেলে তা সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলবে।

বিদেশি অপারেটররা মুনাফাকেন্দ্রীক নীতি গ্রহণ করলে আমদানি-রপ্তানিকারকদের ওপর অতিরিক্ত ফি বা চার্জের বোঝা চাপবে, যার খেসারত দিতে হবে সাধারণ ভোক্তাদের।

ইজারা চুক্তির কারণে শত শত স্থানীয় অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও শ্রমিক চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন।

বন্দর রক্ষা পরিষদের নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ক্রয়ের মাধ্যমে দেশীয় ব্যবস্থাপনায় বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব; এর জন্য লাভজনক টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat