×
সদ্য প্রাপ্ত:
ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা মিরপুরে হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১৪
  • ৫১ বার পঠিত

বাংলাদেশ পুলিশের শৃঙ্খলার ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ বা ‘পজিটিভ’ রিপোর্ট আসায় একজন পুলিশ সুপার (SP) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সকল সদস্যের জন্য একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মাদকাসক্তি ও শৃঙ্খলার ব্যাপারে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানের সময় এবং পরবর্তীতে সন্দেহভাজন কর্মকর্তাদের নিয়মিত ডোপ টেস্ট (Dope Test) করার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের গোপন তথ্য পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় তার ডোপ টেস্ট সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষায় তার নমুনাতে নির্দিষ্ট কিছু মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়, যা পেশাগত শৃঙ্খলার চরম পরিপন্থী।

ডোপ টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরপরই বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এবং চূড়ান্ত তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (Temporary Suspension) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পুলিশে মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স (Zero Tolerance) নীতি ঘোষণার পর এটিই প্রথম SP পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ডোপ টেস্টের ভিত্তিতে বরখাস্তের ঘটনা। এর আগে ডিএমপিসহ বিভিন্ন ইউনিটের কয়েকশ কনস্টেবল, এসআই ও ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে একই অপরাধে বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

তবে, প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে একজন পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা এই অভিযানের গভীরতা ও নিরপেক্ষতা প্রমাণ করে।

সাময়িক বরখাস্তের পর এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বরখাস্তের পর তার বিরুদ্ধে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে।

তদন্ত কমিটির মাধ্যমে চূড়ান্ত তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত (Dismissal from Service) করা হতে পারে।  তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলাও দায়ের করার আইনি সুযোগ রয়েছে, বিশেষ করে যদি তিনি মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে মাদকের ব্যাপারে কোনো আপস করা হবে না এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat