বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ও উদীয়মান তরুণ শক্তিকে কাজে লাগাতে শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এবং প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকেলে বঙ্গভবনে যুক্তরাজ্যের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর যৌথ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর জোর দেন:
শিক্ষা ও উচ্চতর গবেষণা: বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, ক্রেডিট ট্রান্সফার ও স্কলারশিপের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
মানবসম্পদ ও দক্ষতা উন্নয়ন: চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও আধুনিক কর্মসংস্থানের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশি যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহযোগিতা চান তিনি।
বিনিয়োগ ও তথ্যপ্রযুক্তি: বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) ও হাই-টেক পার্কগুলোতে যুক্তরাজ্যের সবুজ শক্তি (Green Energy), আর্থিক প্রযুক্তি (FinTech) এবং তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।
| খাত | রাষ্ট্রপতির প্রস্তাবিত সহযোগিতার রূপরেখা |
| উচ্চশিক্ষা | যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্যাটেলাইট ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা ও কারিগরি শিক্ষা প্রসার |
| বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) | তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামোগত প্রকল্পে ব্রিটিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধি |
| প্রযুক্তি ও গবেষণা | সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ডেটা ম্যানেজমেন্টে কারিগরি সহায়তা |
যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের ধারাবাহিক সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।