দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেলের সুপারিশ মন্ত্রিসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত ও পাস হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে এর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত না হওয়ার নেপথ্যে মূলত বিভিন্ন গ্রেডের বেতন বৈষম্য নিরসন, ভাতাদি পুনর্বিন্যাস এবং নিম্ন ও মধ্যম সারির কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে এতে আরও ১১টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, অসঙ্গতি দূরীকরণ এবং নতুন সুযোগ-সুবিধা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
যা মূলত পে স্কেল বাস্তবায়নের পূর্বে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি ও বৈষম্যগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের পক্ষ থেকে একটি ত্রুটিমুক্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো দাঁড় করানোর এক অত্যন্ত বিচক্ষণ ও সময়োপযোগী সংশোধনী প্রক্রিয়া হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
এবং এই দীর্ঘসূত্রিতার মাঝেও প্রস্তাবিত ১১টি কাঠামোগত পরিবর্তন ও সংস্কার চূড়ান্ত করে খুব শীঘ্রই গেজেট আকারে তা প্রকাশ করা হলে তা সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে বিরাজমান হতাশা ও দোদুল্যমানতা দূর করে সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে এক নতুন গতিশীলতা, স্বচ্ছতা ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করছেন।