×
সদ্য প্রাপ্ত:
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু আজ মাদারীপুরে ৮০০ কোটি টাকার সেতু, নির্মাণস্থান পরিদর্শনে এমপি জাহান্দার আলী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ফুলগাজীতে প্রবাসীর জমিতে আগুন, শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে মেসির রাজকীয় বিদায় ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৯-১৭
  • ৪৯ বার পঠিত

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা চট্টগ্রামের একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠানের নামে এবং অন্য দুটি প্রতিষ্ঠানের পুরোনো আমদানি অনুমোদন নম্বর (আইপি) জালিয়াতি করে কাপড়ের রোলের আড়ালে হংকং থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের ১ হাজার ৬৫৫টি উচ্চপ্রযুক্তির মোবাইল ফোন আমদানির একটি চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি চক্রের সন্ধান মিলেছে, যা গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকায় শুল্ক গোয়েন্দাদের সফল অভিযানে আটক হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বেপজার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাস থেকেই বন্ধ থাকা এবং আমদানি অনুমোদন নম্বর বাতিল হওয়া 'থিয়ানিস অ্যাপারেলস' নামক প্রতিষ্ঠানটির নাম ব্যবহার করা হলেও, বাস্তবে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে ইপিজেডের অন্য দুই প্রতিষ্ঠান 'ইয়ং ওয়ান' ও 'রিজেন্সি'র পুরোনো আইপি নম্বর এবং থিয়ানিসের নকল প্যাড ব্যবহার করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট 'ইউ কে ডোরিন'-এর স্বত্বাধিকারী তানভির আহমেদ ও তার সহযোগী রুহুল আমিন এই বিশাল অপরাধের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছেন বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

ঘটনার আরও গভীরে গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের চট্টগ্রাম অফিসটি গত তিন বছর ধরে তালাবদ্ধ ও ভাড়া বকেয়া রেখেই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল এবং নথিপত্রে তানভির আহমেদ নিজেকে থিয়ানিস অ্যাপারেলসের কমার্শিয়াল ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দিলেও, থিয়ানিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিসুর রহমান খান এটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া, সাজানো ও তাকে বিপদে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে জানিয়েছেন যে তানভির নামে কখনো কেউ তাঁদের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেননি এবং তার প্রতিষ্ঠানের প্যাডও সম্পূর্ণ জাল করা হয়েছে।

এই সংঘবদ্ধ জালিয়াতি ও রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বেপজার কোনো কোনো মহলের পরোক্ষ যোগসাজশ ছাড়া এত বড় চালান কীভাবে খালাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো, তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এখন নিবিড় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat