দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনেক সময় সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুঞ্জনকে আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের নামে কার্যক্রম পরিচালনা করায় প্রতিষ্ঠানটির কাঙ্ক্ষিত নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও সামাজিক মাধ্যমে চালিত অপপ্রচারকে ভিত্তি ধরে দুদকের অতিউৎসাহী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, একটি স্বাধীন ও সংবেদনশীল জাতীয় দুর্নীতি দমন সংস্থার কখনোই জনমতের চাপে প্রভাবিত না হয়ে কেবল অকাট্য তথ্য-প্রমাণ ও আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকে কাজ করা উচিত।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার পাশাপাশি কোনো নাগরিক যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা হয়রানিমূলক প্রোপাগান্ডার শিকার না হন, সে বিষয়ে দুদকসহ সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।