নরিন জাহান, জেলা প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ :
চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস দমনে অপরাধীদের তালিকা প্রণয়ন এবং নতুন কার্যক্রম ঘিরে নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে আশার সঞ্চার হয়েছে। এসআরবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তাদের এসআরবি-১১ অঞ্চলের তালিকায় ৫৬৫ জন চাঁদাবাজ ও ৪০৮ জন আলোচিত সন্ত্রাসীর নাম রয়েছে। এ তথ্য সামনে আসার পর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।
চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক উদ্যোগকে অপরাধ দমনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, তথ্য যাচাই এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি সম্ভব। তবে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করাও জরুরি।
তালিকা থেকে মাঠপর্যায়ে—এবার কার্যকর পদক্ষেপের প্রত্যাশা
শিল্প ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ নাগরিকদের প্রত্যাশা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এসআরবির কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। অপরাধের অভিযোগে কেউ যেন প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে না যায়, আবার নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন—এমন নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত পদক্ষেপই পারে মানুষের আস্থা বাড়াতে।
এসআরবির এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অপরাধমুক্ত পরিবেশ প্রত্যাশী নাগরিকেরা। তাঁদের প্রত্যাশা, তালিকা প্রণয়নের পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি, অভিযোগ যাচাই, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বস্তি শুধু তালিকা প্রকাশে নয়, অপরাধ কমার বাস্তব চিত্রে। চাঁদাবাজির ভয় ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা, নিরাপদে চলাচল এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের নিশ্চয়তা চান তাঁরা।
এসআরবির এই উদ্যোগ ধারাবাহিক ও কার্যকর হলে অপরাধ দমনে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি হতে পারে। এখন প্রত্যাশা—নতুন কার্যক্রমের সুফল মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান হবে, বাড়বে জননিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের আস্থা।