×
সদ্য প্রাপ্ত:
আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০১-১১
  • ২৩৫ বার পঠিত
রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ
ইদানিং বিভিন্ন চা দোকানি ও রিক্সাওয়ালার পায়ে পায়ে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের ক্রেস জুতা। পুলিশের সরঞ্জাম বিক্রি ও ব্যবহারের বিষয়ে নিয়মনীতি না মেনে চলছে এসব ক্রেস জুতার ব্যবহার। এখন চা দোকানি, রিক্সাওয়ালা ও সন্ত্রাসীরা অনায়াসে ব্যবহার করে চলছে পুলিশের দামী এসব ক্রেস জুতা। এই সুযোগ ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছে অপরাধীরা, আর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের।


পুলিশের জুতার ব্যবহারকারী কয়েক জনের সাথে সরাসরি কথা বলতে গেলে তারা জানাই, আমার মামা/চাচা পুলিশে চাকরি করে সে আমাকে দিয়েছে, কেউবা আবার বলে ফুটপাতে দোকানির কাছে কিনেছি। এ সকল জুতা পরিধানকারীকে দেখে বোঝার কোন উপায় নাই যে, তারা পুলিশের সদস্য না। অথচ তারা কেউ বা চায়ের দোকানি, কেউ রিক্সাওয়ালা, কেউ বা আবার কুখ্যাত সন্ত্রাসী, পুলিশের জুতার আদলে তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতিনিয়ত  প্রতারণা করে চলেছে।


পুলিশের সরঞ্জামের সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি জড়িত। কারণ পুলিশের নকল পোশাক ব্যবহার করে অপরাধীরা অপরাধ করে। অথচ সেই অপরাধের দায় চাপে পুলিশের ঘাড়ে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশ সম্পর্কে খারাপ ধারণার জন্ম হয়। অন্যথায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর থেকে মানুষের আস্থা দিনকে দিন কমে যাবে। যা দেশের সার্বিক নিরাপত্তা এবং দেশের উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দেশের স্বার্থের জন্যও ক্ষতিকর। 

পুলিশ সদর দফতরের লজিস্টিক শাখা সূত্রে জানা যায়, পুলিশের পোশাক, জুতা ও হেলমেটসহ বেশ কিছু নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়ে এক বছরে প্রায় ৮০ কোটি টাকা খরচ হয়ে থাকে। 

এখন আমেরিকার সৈনিকরা যেসব জুতা ব্যবহার করে- সেই মানের জুতা পুলিশকে দেয়া হচ্ছে। তাদের ব্যবহৃত জুতার আদলে জুতা এখন ২৩৪০ টাকা দরে কেনা হয়েছে। পুলিশের ব্যায়ামের জন্য ১৩৩৬ টাকা দরে কেনা জুতা সরবরাহ করা হচ্ছে।


অথচ সরকারের এতো ব্যয় বহুল অর্থের দ্বারা ক্রয়কৃত জুতা চলে যায় পুলিশ সদস্য, অসৎ ব্যবসায়ী ও চোরাকারীর মাধ্যমে চা দোকানি, রিক্সাওয়ালা ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পায়ে পায়ে। বাংলাদেশ ডিফেন্স ও পুলিশ সদস্যদের পোশাক ও জুতা সহ অন্যান্য সরঞ্জাম যাতে করে অন্য কেউ পরিধান করে অপরাধ করার সাহস না করে। এই বিষয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat