×
সদ্য প্রাপ্ত:
সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০১-১১
  • ২০২ বার পঠিত
হাবিবুল ইসলাম হাবিব, টেকনাফ প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া থেকে অপহৃত জসিম উদ্দিন ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে অপহরণকারীদের হাত থেকে ১০ দিন পর ছাড়া পেয়েছে বলে জানান তার স্বজনরা।

পৈশাচিক নির্যাতন আর প্রাণে বাঁচতে ৩০ লাখ টাকায় বসত জমি বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।

এব্যাপারে টেকনাফের  বাহারছড়া ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, গত বুধবার ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে জসিম উদ্দিনকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারী চক্র। তিনি আরও জানান, গত ৩০ ডিসেম্বর সোমবার রাত ১১ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকার বাসিন্দার নাজিম উদ্দিন মাস্টারের ছেলে জসিম উদ্দিনকে অপহরণ করা হয়েছিল। সেই দিন রাতে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ১৫-২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বড় ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাস্তার মাথা নিজ মুদির দোকান থেকে জসিম উদ্দিনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে পাহাড়ের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
অপহরণের পর সন্ত্রাসীদের পক্ষে থেকে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও মারধর করে পরিবারের কাছে ভিডিও বাতা পাঠানো হয়। অবশেষে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে সন্ত্রাসীরা তাকে ছেড়েছে। তার শরীরে বিভিন্ন ধরনের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। তাকে বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হচ্ছে বলে জানান ইউপি সদস্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীর পরিবার থেকে মুক্তিপণ দিয়ে ফেরত আসার বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি পুলিশকে। তবে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তদের আটক করার জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, পুলিশ ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের তথ্য বলছে, গত এক বছরের বেশি সময়ে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৯২ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat