×
সদ্য প্রাপ্ত:
সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন চিকিৎসা নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং: ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমডিসির তদন্ত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০১-১৩
  • ২১৩ বার পঠিত
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের দাবিতে গাজীপুরের কালীগঞ্জে লিফলেট বিতরণ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দিনব্যাপী উপজেলার কালীগঞ্জ পৌরসভা, নাগরী, তুমলিয়া, বক্তারপুর, জামালপুর ও জাঙ্গালিংয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভা করে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।

এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় সংগঠক আলী নাসের খান, নির্বাহী সদস্য তাজনূভা জাবীন, জনি আখন্দ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শ্যামলী সুলতানা জেদনি, গাজীপুর জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম  উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, সরকার বলেছে সকল রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র ঘোষণা করবে। আমরা সরকারকে সাধুবাদ জানাই। আমরা চাই জুলাই আন্দোলনকে বেগবান করা ও সমর্থন দেওয়া আমাদের ছাত্রজনতা, দেশের খেটে-খাওয়া মানুষসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষের কথা যেন এই ঘোষণাপত্রে থাকে। এই নতুন বাংলাদেশ হবে সকলের। এখানে কোন বৈষম্য থাকবে না। এই বৈষম্যের  বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই ছিল। এই উদ্দেশ্যে আমরা গণসংযোগ চালাচ্ছি।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শ্যামলী সুলতানা জেদনি বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণাপত্র স্বীকৃতি পেয়েছিল। ২০২৪ কেন পাবে না? ২০২৪ তো ২২ হাজার আহত ভাই-বোন আছে, আড়াই হাজার শহীদ হয়েছেন। দেখা যাবে আগামী পাঁচ বছর পর তা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম আর জানতে পারবে না এই বিপ্লব আর গণঅভ্যূত্থানের কথা। আমরা চাই আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম শহীদ ও আহত ভাইদের কথা জানুক। তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তাই আমরা সবার মতামত চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat